এস আল-আমিন খানঁ
মানবিকতা ফুটে উঠেছে। স্থানীয়রা তা উপভোগ করেছেন। একটু খাবারের জন্য হাহাকার। তা যেন মানতে নারাজ সরকার। সরকারের একজন চাকুরীজিবী অফিসার তার কর্মস্থল এলাকায় প্রতিটি ইউনিয়ন থেকে শুরু করে গ্রাম গঞ্জে গিয়ে নিয়মিত ত্রাণ বিতরণের কার্যক্রম অব্যহত রেখেছেন পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা এস.এম দেলোয়ার হোসেন।
নোভেল কোভিড-১৯ করোনা ভাইরাসটি। বিশ্বের উন্নত উন্নয়নশীল অনুন্নত সবখানেই মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়া এই ভাইরাস। দেশের বিভিন্ন জেলায় ও উপজেলায় লকডাউনের আওতায় নিয়ে আসেন সরকার। দেশের বিভিন্ন স্থানে ত্রাণের চাউল লুটপাট করার ঘটনাও বেশ আলোচনা সমালোচনা সৃষ্টি করেছে। এমন সময় নিয়মিত ত্রাণ বিতরণের কার্যক্রম অব্যহত রেখেছেন পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা এস.এম দেলোয়ার হোসেন।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা এস.এম দেলোয়ার হোসেন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে তার এই মানবিক কার্যক্রমে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার হত দরিদ্রদের ঘরে ঘরে পৌছেছে প্রধানমন্ত্রীর দেয়া উপহার। আর এসব কারনে উপজেলার বিভিন্নস্তরের লোকজন এস এম দেলোয়ার হোসেনকে বিভিন্ন সময় উপহার হিসেবে ফুল, মুখের মিষ্টি হাসি, আবেগের অশ্রু উপহার দিয়ে যাচ্ছেন।
উপজেলার ইউপি চেয়ারম্যানরা বলেন, মহামারি করোনা ভাইরাসের দূর্যোগে গলাচিপা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা এস.এম দেলোয়ার হোসেনের কাছ থেকে ব্যাপক সাড়া পেয়েছি।সরকারের দেয়া বরাদ্ধ সঠিক সময় পাওয়ার কারনে আমাদের নিজ নিজ এলাকায় অসহায় পরিপারের কাছে খাবার সামগ্রী পৌছানো সম্ভব হয়েছে। একটি উপজেলায় প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সৎ ও আন্তরিক হলে যে কি লাভ তা আমরা বুঝতে পেরেছি।
আমান, নিলু, জায়েদা, আবুল স্থানীয় কয়েকজন বলেন, আমাগ কাছে স্যারে বালা মানুষ। কাম নাই। পেটে খাওন নাই। আমরা যামু কই? কি অসুখ আইল যে, পরিস্কার থাকতে ও ঘরে থাকতে হয়। দিন আনলে দিনে খাই। আমরা কাম করলেই খাওন। কি যে চিন্তা করছিলাম খামু কি? যামু কই? আমগ সরকার আমাগ ঘরে ঘরে খাওনের অনেক কিছু দিছে। আমগ উপজেলার একটা স্যার আছে খোব বালা মানুষ। দেলোয়ার স্যার কয়দিন আমগ বাড়িত আইছে। চাইল দিছে।
এবিষয় নিয়ে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা এস.এম দেলোয়ার হোসেন বলেন, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে গলাচিপা উপজেলার ১টি পৌরসভা ও ১২টি ইউনিয়নে মহামারি করোনা ভাইরাসে হত দরিদ্রদের মাঝে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে খাদ্য তথা ত্রাণ সামগ্রী পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করেছি। প্রতিটি মুহুর্তে আমার মোবাইল ফোন চালু রেখেছি। গলাচিপা উপজেলার সাধারণ মানুষ আমাকে ফোন করলে আমি তাদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে খাবার পৌঁছে দিয়েছি। প্রধানমন্ত্রীর অর্থায়নে হত দরিদ্রদের বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে পর্যবেক্ষন করে তাদের জন্য ঘর তৈরি করে দিয়েছি।
এছাড়াও ২টি ইউনিয়নে বিদ্যুৎ না থাকায় সোলারের সাহায্যে সেখানে সোলারের ব্যবস্থা করেছি এবং রাস্তায় ল্যাম্প পোস্ট স্থাপন করেছি। প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা হত দরিদ্রদের উদ্দেশ্যে আরও বলেন, আমার অফিসের দরজা সকলের জন্য খোলা, আপনারা অফিস চলাকালীন সময়ে দালাল না ধরে সরাসরি অফিসে এসে আমার সাথে সরাসরি কথা বলবেন।
প্রধানমন্ত্রীর অর্থায়নে হত দরিদ্রদের ঘর নির্মানে কোন দালালদের মাধ্যমে আর্থিক লেনদেন না করার জন্য অনুরোধ জানান। কেননা প্রধানমন্ত্রীর নিজ অর্থায়নে হত দরিদ্রদের মাঝে বিনামূল্যে ঘর দিচ্ছেন সরকার।
