দৈনিক জাগো বাংলাদেশ
বাংলাদেশের সর্বাধিক প্রচারিত দৈনিক

মুন্সীগঞ্জে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে হামলায় নারীসহ আহত ৩

0 54

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি
মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় গর্ভবতী নারীসহ একই পরিবারের ৩ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
রোববার (২৭ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার রাঢ়ীখাল ইউনিয়নের কবুতরখোলা এলাকার সবুজ গ্রামের আল-আমিন ওরফে কালাচাঁনের বিরুদ্ধে এই হামলার অভিযোগ উঠে।
ওই গ্রমের আব্দুল সামাদ শেখের স্ত্রী খোদেজা বেগম (৪৮), তার গর্ভবতী মেয়ে সাবিনা ইয়াসমিন (২৬) ও কলেজ পড়–য়া ছেলে মো. ফাহাদ হোসেন (২৩) হামলায় আহত হয়। স্থানীয়ভাবে তাদের চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।
স্থানীয় ও ভোক্তভুগী সূত্রে জানাযায়, বাড়ির পাশের রাস্তায় লাকরী (গাছের পাতা) শুকানোকে কেন্দ্র করে আল-আমিন সামাদ শেখের পরিবারকে বাঁধা প্রদান করেন। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি হলে হঠাৎ আল-আমিন ক্ষিপ্ত হয়ে সামাদের ছেলে ফাহাদের ওপর হামলা চালায়। ফাহাদকে বাঁচাতে মা ও বড় বোন এগিয়ে আসলে তাদের ওপরেও হামলা চালায় আল আমিন। এ সময় প্রতিপক্ষের হামলায় সামাদের স্ত্রী ও গর্ভবতী মেয়ে জখম হয়।
শ্রীনগর কলেজ পড়–য়া ছাত্র আহত ফাহাদ হোসেন জানায়, রাস্তাকে কেন্দ্র করে আল-আমিন ওরফে কালাচাঁন, এম এ খালেক ও কাদির আকন গং মিলে মাঝে মধ্যেই ঝামেলা পাকান। আমাদের সর্বসম্মতিক্রমে বসবাসকারীদের সকলের জায়গার ওপর দিয়েই প্রায় ২০০ ফুটের রাস্তাটি তৈরী করা হয়। কিন্তু কারণে অকারণে তারা রাস্তায় চলাচল করতে বাঁধাসহ নানাভাবে হুমকি ধমকি দেয়ে থাকেন। এরই ধারাবাহিকতায় রোববার তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মা, বোনসহ আমার ওপর হামলা চালায় আল-আমিন। এ সময় তার সহযোগী এম এ খালেক উপস্থিত ছিলেন। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার জন্য যেতে চাইলে স্থানীয় মেম্বার সমাধান করে দিবেন আশ্বাস দিলে থানায় অভিযোগ করার থেকে বিরত থাকি।
অপর একটি সূত্র জানায়, প্রায় দুই মাস আগে একই রাস্তাকে কেন্দ্র করে আল-আমিন গংরা জামাল সরকারকে চলাচলে বাঁধা প্রদান করে এবং রাস্তায় বাঁশের বেড়া দিয়ে রাখা হয়। পরে স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ বাঁশের বেড়া খুলে দেন।
এ বিষয়ে আল-আামিন ওরফে কালাচাঁনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি রাস্তায় ভিজা পাতা দিয়ে রাখতে মানা করলে সামাদের ছেলের সাথে আমার কথা কাটাকাটির মাধ্যমে হাতা হাতির ঘটনা ঘটে এটা সত্য। তবে তিনি, ফাহাদের মা ও গর্ভবতী বোনের ওপর হামলা করার কথা অস্বীকার করেন।
স্থানীয় ইউপি সদস্য আবু কালামের কাছে এ বিষয়ে জানতে তার সাথে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তার মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More