নির্বাচনে কেউ অনিয়ম করলে কাউকে ছাড় দেয়া হবেনা —– নির্বাচন কমিশনার রফিকুল ইসলাম
রূপগঞ্জ প্রতিনিধি
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার রূপগঞ্জ ইউনিয়নের নির্বাচনে কেউ যদি প্রভাবিত করার চেষ্টা করেন অথবা পুলিশসহ প্রশাসনের যে কেউ প্রভান্বিত করার কাজে সহযোগীতা করেন প্রমান পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে। সাংবাদিকরা তাদের দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে যদি কেন্দ্রে কোন দায়িত্বশীল অফিসারের সহযোগিতা চান তাহলে সহযোগিতা করবেন। বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনার রফিকুল ইসলাম প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ মন্তব্য করেন।
এসময় বলেন, নির্বাচনে কেউ অনিয়ম করলে কাউকে ছাড় দেয়া হবেনা। করার যে যত শক্তিশালী হোক না কেন নির্বাচনে কেউ অনিয়ম করলে কাউকে ছাড় দেয়া হবেনা বলে হুশিয়ারী দেন ।
আজ সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাচন উপলক্ষে উপজেলা অডিটরিয়ামে প্রতিদ্ধন্ধী প্রার্থীদের সাথে আইন শৃঙ্খলা বিষয়ক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, ইবিএমের মাধ্যমে রূপগঞ্জ সদর ইউনিয়ন পরিষদ অবাধ সুষ্ঠু নিরপেক্ষ ও গ্রহনযোগ্য নির্বাচন উপহার দেয়া হবে। ইবিএম এমন একটি যন্ত্র যে পৃথিবীর কোন ব্যাক্তি বা প্রতিষ্ঠান এই যন্ত্র হ্যাক করতে পারবেনা। সুতরাং একজনের ভোট আরেকজন দেয়ার কোন সুযোগ নাই। উপজেলা নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে নির্বাচনের আগে তিনদিন ইবিএমে কিভাবে ভোট দিতে হয় তার প্রশিক্ষন দেয়া হবে।
নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক জসি উদ্দিন বলেন, নারায়ণগঞ্জ এখন পত্রিকার লিড নিউজ হচ্ছে। প্রার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, নেতাদের নয়, জনগণ নিয়ে কাজ করুন। আপনার অলসতা, সরলতা, অতি উৎসাহ যে নির্বাচনকে প্রশ্নবৃদ্ধ না করে।
এসময় রূপগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন ইউএনওকে উদ্দেশ্য করে বলেন, নির্বাচনের আগে রাতে গিয়ে পরিদর্শণ করবেন সব বিষয়ে। যেখানে অনিয়ম পাবেন, ব্যবস্থা নিবেন। অনিমকারী যতবড় কুতুব হোক ছাড় দিবেন না।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা প্রশাসক জসিম উদ্দিন, সহকারী পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ-আল মামুন, জেলা নির্বাচন অফিসার মতিউর রহমান, নারায়ণগঞ্জ গ-সার্কেল এসপি আফসার উদ্দিন, উপজেলা চেয়ারম্যান শাহজাহান ভুইয়া, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মমতাজ বেগম, রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল হাসান, উপজেলা নির্বাচন অফিসার মাহবুবুর রহমান, চেয়ারম্যান প্রার্থী সালাউদ্দিন ভুইয়া ও কবির হোসেনসহ সদর ইউনিয়নের মেম্বার প্রার্থীবৃন্দ।
