পটুয়াখালী জামিনে এসেই সেচ্ছাসেবক লীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা আটক ২
পটুয়াখালী প্রতিনিধি:
পটুয়াখালীর বাউফলে সদর ইউনিয়নের সেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মমিনুল ইসলাম গাজী (২৮) ও তাঁর বোন শারমিন নাহার (৪৫) কে প্রতিপক্ষ লোকজন প্রকাশ্যে রাম দা ও ট্যাডা দিয়ে কুপিয়ে গুরুত্বর জখম করেছে ।
আহত অবস্থায় স্থানীয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আশংকাজনক অবস্থায় মমিনুলকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান এবং শারমিন নাহারকে ভর্তি করেন।
আজ মঙ্গলবার (৩০ জুন) সকালে উপজেলার সদর ইউনিয়নের ০৯ নং ওয়ার্ডভূক্ত পশ্চিম বিলবিলাস গ্রামের রুহুল আমিন গাজীর দোকানের সামনে।
সরেজমিনে স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মমিনুল ইসলাম গাজী সকাল ০৯ টার সময় বাউফলের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিলে ওত পেতে থাকা জাহিদুল ইসলাম কালা, আশরাফ গাজী, জহিরুল ইসলাম, ইমাম প্যাদা, মোকসেদুর রহমান মবিন প্যাদা, তাহের গাজী, মজলু গাজী, বাবুল মাষ্টার, জালাল সরদার, আরিফ, ফয়সাল সহ আরও কয়েকজন রাম দা, ট্যাডা ও লাঠি নিয়ে জনসম্মুক্ষে এলোপাথাড়ি ভাবে কোপাতে থাকে।
পরে স্থানীয়রা গুরুত্বর জখম অবস্থায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে।
বাউফল সদর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক লিটন মোল্লা জানান, গত সপ্তাহে ইমাম প্যাদা নামের এক সন্ত্রাসীকে পটুয়াখালী র্যাব-৮ এর সদস্যরা হত্যা চেষ্টার অভিযোগে গ্রেফতার করে।
সোমবার (২৯ জুন) জামিনে বের হয়ে সন্ধ্যার পরে ইমাম প্যাদা, মোকসেদুর রহমান প্যাদা, জাহিদুল ইসলাম কালাসহ আরও অনেকে মোটর সাইকেল ও মাইকো বাস নিয়ে সোডাউন দিয়েছে বলে জানা গেছে এবং তারাই মমিনুলকে হত্যার উদ্দেশ্যে এ হামলা চালিয়েছে ।
এবিষয়ে বাউফল সার্কেলের সিনিয়র পুলিশ সুপার মোঃ ফারুক হোসেন বলেন, এঘটনায় প্রধান আসামি জাহিদুল ইসলাম কালাসহ আরও একজনকে গ্রেফতার করা হয়। এসময় একটি রাম দা ও একটি ট্যাডা উদ্ধারসহ জরিত অন্যান্যদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে বলে জানান।
