দৈনিক জাগো বাংলাদেশ
বাংলাদেশের সর্বাধিক প্রচারিত দৈনিক

পৌরসভার ৩৫ হাজার অভুক্ত পৌর কর্মকর্তা-কর্মচারী

0 76

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

নিজস্ব প্রতিবেদক অফিস:

করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সার্বক্ষনিক নিরলস ভাবে দায়িত্ব পালন করলেও বেতন-ভাতা না পাওয়ার মানবিক বিষয়টি সম্প্রতি ভিডিও কনফারেন্সে মিউনিসিপ্যাল এসোসিয়েশয়ন অব বাংলাদেশ-ম্যাব এর পক্ষ হতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট জোড়াল ভাবে উপস্থাপিত হওয়ায় বেতন-ভাতে খাতে বরাদ্ধ পাওয়ার আশায় রয়েছেন প্রায় ৩৫ হাজার অভুক্ত পৌর কর্মকর্তা-কর্মচারী।

সংগঠনের প্রেসরিলিজ থেকে জানা গেছে, দেশের ৩২৮ টি পৌরসভার মধ্যে ৮৫% পৌরসভায় ২ হতে ৬৫ মাস বেতন-ভাতা না হওয়ায় মানবেতর জীবনযাপন করছে পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা । করোনার কারণে রাজস্ব আদায় বন্ধ থাকায় বর্তমানে শতভাগ পৌরসভায় এ সংকট চরমে । পৌর কর্মকর্তা-চারীদের বেতন- ভাতা পরিশোধ সহ জনসাধারণের সার্বিক সেবা দান চরম অনিশ্চিয়তায় দেশের অধিকাংশ পৌরসভা।

ম,ই,তুষার সংগঠনটি যুগ্ম সাধারন সম্পাদক জানান, সম্প্রতি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাথে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বর্তমান করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় বাংলাদেশের ৩২৮ টি পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সার্বক্ষনিক নিরলস ভাবে দায়িত্ব পালনের কথা,বেতন-ভাতা না পেয়ে মানবেতর জীপন যাপন করায় তাদেরকে বেতন-ভাতা দেওয়ার কথা সহ যে সকল পৌর কর্মকর্তা-কর্মচারী ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছেন তাহারা করোনাকালীন সময়ে কোন সমস্যায় পতিত হলে তাদেরকে অন্যান্যদের মতো প্রনোদনা প্রদান সহ পৌরসভার সকল কার্যক্রম সচল রাখার স্বার্থে বেতন-ভাতা প্রদানের মানবিক বিষয়টি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট ম্যাবের পক্ষ হতে জোড়াল আহব্বান করেন নীলফামারী জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এবং মিউনিসিপ্যাল এসোসিয়েশয়ন অব বাংলাদেশ-ম্যাব এর প্রেসিডেন্ট পৌর মেয়র দেওয়ান কামাল আহমেদ ।

- Advertisement -

পৌর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা খাতে বরাদ্দের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে অবগত করায় এবং আপোদকালীন সময়ে জনগণের দৌড়গোড়ায় সেবা পৌঁছে দেবার জন্য বেতন-ভাতে খাতে ৬শত কোটি বরাদ্দ চেয়ে সরকারের নিকট আবেদন করায় ম্যাবের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন দেশের ৩২৮ টি পৌরসভার জনপ্রতিনিধি সহ কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।

  ওই প্রেস রিলিজে আরও বলা হয়েছে,  উল্লেখ্য যে পৌরসভা শুধু কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন ভাতা দেয়ার জন্য সৃষ্টি হয়নি, জনসাধারণের সার্বিক সেবা দানের খাতগুলো মূলত রাজস্ব আদায়ের উপর নির্ভর করে।

যেমন সড়ক বাতি, পানি সরবরাহ,পরিষ্কার -পরিচ্ছন্নতা, মশক নিধন, স্বাস্থ্য সেবা,ত্রাণ,আর্থিক সাহায্য,জরুরী সকল সেবা সহ উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়ন করার পর যে অর্থ অবশিষ্ট থাকে তা দিয়ে কোন ভাবেই বেতন -ভাতা দিতে পারেননা পৌর কর্তৃপক্ষ। সে কারণেই বেতন-ভাতা বকেয়া থেকে যাচ্ছে মাসের পর মাস বছরের পর বছর।

যারা অবসরে গেছেন তাদের অবসর ভাতাও দিতে পারছেননা কর্তৃপক্ষ। বেতন-ভাতা প্রাপ্তির স্থায়ী সমাধানের জন্য দীর্ঘদিন যাবৎ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিতে আনার জন্য বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে আসছে।

ম,ই,তুষার সংগঠনটি যুগ্ম সাধারন সম্পাদক জানান, বেতন-ভাতা খাতে বরাদ্দ দেয়ার জন্য স্থানীয় সরকার বরাবরে আবেদন জানিয়েছে। সরকার আয়ের খাতগুলো বৃদ্ধি করে দিলে অথবা জেলা পরিষদ,উপজেলা পরিষদ ও ইউনিয়ন পরিষদের আদলে সরকারের তহবিল হতে বেতন-ভাতা প্রদান করলেই এ সমস্যার সমাধান করা সম্ভব বলে পৌর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সংগঠন বাংলাদেশ পৌরসভা সার্ভিস এসোসিয়েশন মনে করে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More