দৈনিক জাগো বাংলাদেশ
বাংলাদেশের সর্বাধিক প্রচারিত দৈনিক

সাধারণ ছুটিতে ৩৫ হাজার কর্মচারী-জনপ্রতিনিধির অসাধারণ কর্ম !

0 231

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

স্বাভাবিক গতি নেই আজ কোথাও। বিনদেশ থেকে মানব দেহে প্রবেশ ভাইরাস । বহুদেশ ভ্রমন করে আক্রান্ত করেছে লাখ লাখ মানুষদের। প্রাণ কেড়েছে কয়েক লাখ মানুষের। করোনা ভাইরাস এর প্রাদুর্ভাব সারা বিশ্বের মত বাংলাদেশেও ব্যাপক হারে ছড়িয়ে পরছে। প্রতিরোধে ও মোকাবেলায় দেশের ৩২৮ টি পৌরসভার প্রায় ৩৫ হাজার পৌর কর্মচারী এবং জনপ্রতিনিধিরা সাধারণ ছুটির আওতায় থেকেও অসাধারণ কর্ম চালিয়ে যাচ্ছেন। সরকারের পক্ষ থেকে স্বাস্থ্য নিরাপত্তা প্রয়োজনীয় সামগ্রী না পেলেও সেবা চালিয়েছেন।

কর্মচারীরা বলেন, সরকার প্রধানের দেয়া যুগান্তকারী নির্দেশনার (৩১ দফা নির্দেশনায় যা করা হচ্ছে, পাবলিক প্লেস ও শহর পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে প্রতিনিয়ত রাস্তা-ঘাটে জীবাণু নাশক স্প্রে করন। জনগণের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে লিফলেট ও পোস্টার বিতরণ। করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে জনগণের মাঝে হাত ধোয়ার সাবান, স্যানিটাইজার, হ্যান্ড গেøাভস ও মাস্ক বিতরণ। গুরুত্বপুর্ণ পাবলিক প্লেসে হাত ধোয়ার পয়েন্ট স্থাপন। স্বাস্থ্য বিধি ও সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখার জন্য মাইকিং প্রচারনার মাধ্যমে জনগণকে সচেতন করা। সমাজের নিম্ম আয়ের জনগণের মাঝে নগদ অর্থ, সরকারের দেয়া খাদ্য ও ত্রাণ সামগ্রী সুষ্ঠু ভাবে বিতরণ। দ্রবমূল্যের বাজার নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের সাথে মনিটরিং করণ। জনগণ যাহাতে একত্রে জমায়েত না হতে পারেন সে ব্যাপারে মনিটরিং করণ সহ সচেতনতা বৃদ্ধি করণ কাজ। জনস্বার্থে পৌর নাগরিকদের পানি সরবরাহ ও রাতের নিরাপত্তা নিশ্চিৎ করতে সড়ক বাতি সচল রাখা। পৌর নাগরিকদের সকল প্রকার স্বাস্থ্য সেবা দেয়ার জন্য পৌর স্বাস্থ্য বিভাগ চালু রাখা। করোনা ভাইরাস হতে জনসাধারণ যাতে আক্রান্ত না হয় সে জন্য সামজিক দূরত্ব বজায় রেখে অবস্থান করার জন্য জনগণকে উদ্বোদ্ধ করণ। বিদেশ থেকে যারা আসছেন তাহারা যাহাতে নিদৃষ্ট সময় পর্যন্ত নিজ বাড়ীতে অবস্থান করেন সে ব্যাপারে কাজ করা এবং প্রাত্যহিক মনিটরিং করণ। করোনা প্রাদুর্ভাবের কারণে পৌরসভার ডাঃ দের সমন্বয়ে পৌর পরিবার টেলিমেডিসিন সার্ভিস চালু করে সারা বাংলাদেশের পৌরসভার নাগরিকদের ও কর্মচারীদের জরুরী স্বাস্থ্য সেবা দেয়া।

- Advertisement -

বাংলাদেশ পৌর সার্ভিস এসোসিয়েশন যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ম.ই.তুষার প্রেস রিলিজে জানান, করোনা ভাইরাস এর কারণে পৌরসভার রাজস্ব আদায় বন্ধ থাকায় বেতন-ভাতা না পেয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে দেশের প্রায় বেশীর ভাগ পৗর কর্মকর্তা-কর্মচারী। দূর্যোগকালীন সময়ে দেশের ৩২৮ টি পৌরসভার নাগরিক সেবা সচল রাখা সহ স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানকে টিকিয়ে রাখতে যারা দিনরাত কাজ করেন সে সকল পৌর কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরকে বেতন-ভাতা খাতে ৬০০ (ছয়শত) কোটি টাকা আর্থিক সহায়তা বাবদ বিশেষ বরাদ্দ প্রদানের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,স্থানীয় সরকার মন্ত্রী এবং অর্থ মন্ত্রীর নিকট বাংলাদেশ পৌরসভা সার্ভিস এসোসিয়েশনের আবেন করেছেন। সংগঠনটির প্রধানসহ অনেকেই পৌর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অধিকার আদায়ে ও নেয্য পাওনা প্রাপ্তির লক্ষে কাজ করছেন। উন্নয়ন ও পরিস্কার পরিচ্ছন্ন মানেই দেশের পৌর এলাকার নাম প্রথম সারিতে টলে আসে। অথচ সে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আছেন অর্ধাহারে।

করোনা ভাইরাস এর প্রাদুর্ভাবের কারনে জনসাধারণ ঘড়ে অবস্থান করায় যাবতীয় পৌরকর,ট্রেড লাইসেন্স ফি, ভূমি হস্তান্তর ট্যাক্স সহ পৌরসভার অন্যান্য রাজস্ব আদায় হচ্ছে না। তাছাড়া দেশের পৌরসভাগুলোর রাজস্ব আয়ের ক্ষেত্র না থাকায় করোনা প্রাদুর্ভাবের আগে থেকেই ৮৫% পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ০২ হতে ৭০ মাস পর্যন্ত বেতন-ভাতা বকেয়া রয়েছে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More