ইশা ছাত্র আন্দোলন রূপগঞ্জ থানা শাখার আহব্বান ও করোনা ভাইরাসের কিছু কথা
নিজস্ব প্রতিবেদক, অফিসঃ
ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন রূপগঞ্জ থানার সংগ্রামী সভাপতি মুহাম্মাদ আবু বকর এক বিবৃতিতে বলেন, কোভিড-১৯ বাংলাদেশে আগমন করে ৮ই মার্চ (রবিবার)।
এদিন সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট-আইইডিসিআর থেকে তিনজনের করোনা ভাইরাস সংক্রমণ শনাক্তের ঘোষণা দেওয়া হয়। যাদের দুইজন ইটালি ফেরত এবং তাদের একজনের মাধ্যমে আরেক নারী আক্রান্ত হয়েছেন।
আর গত ১৯ মার্চ দেশে প্রথম সত্তরোর্ধ্ব এক ব্যক্তি করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যান। তিনি অ্যামেরিকা প্রবাসী একজনের সংস্পর্শে এসেছিলেন। গত ৮ই মার্চ থেকে ৩০ই মে বাংলাদেশে করোনার বয়স হয়েছে ২ মাস ২২ দিন।
আজ (৩০ মে ) শনিবার ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন রূপগঞ্জ থানার সংগ্রামী সভাপতি মুহাম্মাদ আবু বকর এক বিবৃতিতে বলেন, এই ২মাস ২২ দিনে করোনায় বাংলাদেশে মোট আক্রান্ত হয়েছে ৪৪,৬০৮জন, সুস্থ হয়েছে ৯,৩২২জন আর মারা গেছে ৬১০জন।
৮ই মার্চ থেকে ৩ই এপ্রিল পর্যন্ত আমরা দেখেছি দৈনিক ৪জন/৫জন/৬জন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। কিন্তু ৪ই এপ্রিল থেকে করোনায় সংক্রমিত মানুষের সংখ্যা বাইনারি পদ্ধতিতে বেড়েই চলেছে।
আজ ৩০ মে আইইডিসিআর এর রিপোর্ট অনুযায়ী গত ২৪ ঘন্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছে ১,৭৬৪জন আর মারা গেছে ২৮ জন।
তিনি আরও বলেন, দিনের পর দিন রেকর্ড সংখ্যক করোনায় আক্রান্তের দায় যেমন সরকারের রয়েছে তার কিছুটা দায় আমরা যারা জনগণ আছি আমাদেরও রয়েছে। আর আমরা যারা জনগণ আছি আমাদের দায় হচ্ছে আমরা সচেতন না। তাহলে বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস মহামারী আকার ধারণ করতে পারতো না।
থানা সভাপতি মুহাম্মাদ আবু বকর আরো বলেন, যখন ৮ই মার্চ বাংলাদেশে প্রথম করোনা ভাইরাস এসেছিলো তখন আমরা করোনার প্রতি যতোটুকু সচেতন ছিলাম এখন কি ঐরকম সচেতন আছি?
তখন করোনা ভাইরাস বাচ্চা ছিলো মাত্র বাংলাদেশে ল্যান্ড করেছিলো এবং আক্রান্তের সংখ্যাও খুব কম ছিলো। ঠিক তখনই কিন্তু বাংলাদেশ লকডাউন করে দেয়া হয়েছিলো এবং বাংলাদেশের অধিকাংশ লোকজনই কিন্তু করোনার প্রতি সতর্ক ছিলো এবং প্রশাসনেরও একটা কঠিন অবস্থান আমরা মাঠ পর্যায়ে লক্ষ্য করেছিলাম।
কিন্তু আজ ২মাস ২২ দিনে করোনা নামক অনুজীবটি যৌবনে পদার্পণ করেছে। তার ক্ষমতা অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। তার দ্বারা সংক্রমিত হওয়ার সংখ্যাও আগের চেয়ে অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে।
কিন্তু দুঃখের বিষয় হচ্ছে আমরা এখন আর করোনার প্রতি অতোটা সচেতন না। যার কারণে দিনের পর দিন করোনায় আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েই চলেছে।
