দৈনিক জাগো বাংলাদেশ
বাংলাদেশের সর্বাধিক প্রচারিত দৈনিক

কালীগঞ্জে তিন সন্তানের জননী খুন

0 35

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

গাজীপুর প্রতিনিধি

- Advertisement -

স্ত্রীকে হত্যার পর লাশ অ্যাম্বুলেন্সে করে শ্বশুর বাড়িতে পাঠানোর অভিযোগ উঠেছে স্বামীর বিরুদ্ধে। চট্রগ্রামের পাহাড়তলী থানার হালি শহরে এ হত্যাকান্ড ঘটে। 
স্থানীয়রা জানায়, উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের চুপাইর গ্রামের সরকার বাড়ীর মৃত আব্দুল আজিজ সরকারের মেয়ে মার্জিয়া আক্তার লিপির একই গ্রামের হাসিমুদ্দিন সরকারের ছেলে মোশারফ হোসেন সরকারের সাথে প্রায় ১৫ বছর পূর্বে বিবাহ হয়। লিপি স্বামীর সাথে তিন সন্তান নিয়ে চট্রগ্রামের হালিশহরে ভাড়া বাসায় থাকত। মোশারফ হোসেন সরকার সেখানে ঠিকাদারি কাজ করত। তাদের মধ্যে দাম্পত্য কলহ চলছিল। এরই জের ধরে মঙ্গলবার (২৯ অক্টোবর) রাতে মোশারফ লিপিকে বাসায় পিটিয়ে হত্যা করে। পরে তার মরদেহ অ্যাম্বুলেন্সে করে মোশারফ মঙ্গলবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে চুপাইর গ্রামে লিপির বাবার বাড়িতে পাঠায়। এ ঘটনার পর থেকে লিপির স্বামী মোশারফ হোসেন সরকার পলাতক। 
নিহত লিপির মা রহিমা বেগম জানান, চট্রগ্রামে লিপির প্রতিবেশীরা ফোন করে জানান মোশারফ আমার মেয়ে লিপিকে হত্যা করে পালিয়ে গেছে। বিয়ের এক বছর পর থেকেই যৌতুকের জন্য মোশারফ লিপিকে চাপ দিয়ে আসছিল। এ নিয়ে বেশ কয়েকবার লিপিকে মারধরও করেছে মোশারফ। তিন বছর আগে মোশারফ পিটিয়ে লিপির বাম চোখ নষ্ট করে দিয়েছে। 
কালীগঞ্জ থানার ওসি একেএম মিজানুল হক জানান, বাকপ্রতিবন্ধী লিপি আক্তার তার স্বামীর সঙ্গে চট্রগ্রাম পাহাড়তলী থানার হালিশহরে থাকতো। নিহতের পরিবারের দাবি, লিপির স্বামী তাকে হত্যা করে লাশ বাড়িতে পাঠিয়েছে। খবর পেয়ে বুধবার সকালে কালীগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রেজাউল করিম নিহতের বাড়িতে গিয়ে লাশের সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। হত্যার অভিযোগ সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য-উপাত্ত পাহাড়তলী থানায় পাঠানো হচ্ছে। 

মোশারফ হোসেন সরকার সেখানে ঠিকাদারি কাজ করত। তাদের মধ্যে দাম্পত্য কলহ চলছিল। এরই জের ধরে মঙ্গলবার (২৯ অক্টোবর) রাতে মোশারফ লিপিকে বাসায় পিটিয়ে হত্যা করে। পরে তার মরদেহ অ্যাম্বুলেন্সে করে মোশারফ মঙ্গলবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে চুপাইর গ্রামে লিপির বাবার বাড়িতে পাঠায়। এ ঘটনার পর থেকে লিপির স্বামী মোশারফ হোসেন সরকার পলাতক। 
নিহত লিপির মা রহিমা বেগম জানান, চট্রগ্রামে লিপির প্রতিবেশীরা ফোন করে জানান মোশারফ আমার মেয়ে লিপিকে হত্যা করে পালিয়ে গেছে। বিয়ের এক বছর পর থেকেই যৌতুকের জন্য মোশারফ লিপিকে চাপ দিয়ে আসছিল। এ নিয়ে বেশ কয়েকবার লিপিকে মারধরও করেছে মোশারফ। তিন বছর আগে মোশারফ পিটিয়ে লিপির বাম চোখ নষ্ট করে দিয়েছে। 
কালীগঞ্জ থানার ওসি একেএম মিজানুল হক জানান, বাকপ্রতিবন্ধী লিপি আক্তার তার স্বামীর সঙ্গে চট্রগ্রাম পাহাড়তলী থানার হালিশহরে থাকতো। নিহতের পরিবারের দাবি, লিপির স্বামী তাকে হত্যা করে লাশ বাড়িতে পাঠিয়েছে। খবর পেয়ে বুধবার সকালে কালীগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রেজাউল করিম নিহতের বাড়িতে গিয়ে লাশের সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। হত্যার অভিযোগ সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য-উপাত্ত পাহাড়তলী থানায় পাঠানো হচ্ছে। 

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More