গাজীপুর প্রতিনিধি
চার বছর আগেই মা মারা গিয়েছে ঝুমার(৬) । তাই বাবার সাথে প্রায় সময়ই রান্না করতে যেতে হত ছয় বছরের ঝুমার।
বাবার সাথে রান্না করতে গিয়ে পানি পড়ে ভিজে যায় পায়ের মুজা।তাই পায়ের মুজা শুকানোর জন্য চুলার আগুনের মধ্যে পায়ের ভেজা মোজা শুকাতে গেলে এক পর্যায়ে অসাবধনতা বসত আগুনের তাপে পায়ের মোজায় আগুন ধরে যায়। আর সেই আগুন নিভাতে গিয়ে , আগুনের উপর পড়ে ডান পায়ের ৯০% পুড়ে যায়।
আনুমানিক ১৫ দিন আগে এমন ঘটনাটি ঘটেছে গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার তেলিহাটি ইউনিয়নের তালতলী গ্রামের দরিদ্র আব্দুল আউয়াল এর মেয়ে ঝুমা (৬) আক্তারের।বাবা অতিদরিদ্র থাকার কারণে কোনো উন্নত চিকিৎসা করতে পারেনি এখনো। ঝুমার পা পুড়ে যাওয়ার কিছুদিন পর শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু সেখানে শিশুটির (ঝুমা) অবস্থা গুরুতর হওয়ার কারণে ভর্তি করায়নি শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসকরা।তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজে যেতে বলেন। ঝুমার বড় ভাই জানান, ঢাকা মেডিকেলে কিভাবে ভর্তি করব। সেখানে যাওয়ার মত ভাড়াও আমাদের কাছে নেই। আমি নিজেও শারীরিক প্রতিবন্ধী। কাজ-কাম করতে পারি না। কেউ যদি আমাদের একটু সাহায্য করত তাহলে বাঁচানো যেত ঝুমাকে। বাবা সারাদিন মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরে সাহায্য-সহযোগিতার জন্য। যেখানে আমরা তিন বেলা খাইতেই পারি না, ঝুমাকে তিন বেলা ভাত দিতে পারি না সেখানে চিকিৎসা করাবো কেমনে।
প্রতিবেশীরা জানায়, অসহায়, ভূমিহীন মানুষ তারা। সরকারি খাস জমিতে থাকে। বাসস্থান নেই। অনেক সময় আমরা সাহায্য সহযোগিতা করলে চলতে পারে। আমরা কিছু টাকা তুলছি আর কিছু টাকা হইলে ভালো ডাক্তারের কাছে নিয়ে যেতে পারবে।
ঝুমার বাবা আওয়াল সবার কাছে সাহায্যের আকুতি করে বলেন, আপনারা আমার মেয়েটাকে বাঁচান। আমার চোখের সামনে তাকে ছটফট করতে দেখে মনে হয় আমার মত অসহায় বাবা পৃথিবীতে আর কেউ নেই। টাকার অভাবে আমার মেয়ে মারাও যেতে পারে। আপনারা যদি পারেন তাহলে একটু সাহায্য সহযোগিতা করেন। তাহলে হয়তো আমার মেয়ে সুস্থ হয়ে যেতে পারে । এজন্য সবার কাছে মেয়ের চিকিৎসার জন্য সাহায্য চাচ্ছি। যে যতটুকু পারেন কিছুটা সাহায্য সহযোগিতা করেন।
সাহায্য পাঠানো ঠিকানা : বিকাশ 01982 554751
Sign in
Sign in
Recover your password.
A password will be e-mailed to you.
Get real time updates directly on you device, subscribe now.
পূর্ববর্তী লিখা
পরবর্তী লিখা
- Facebook Comments
- Disqus Comments