মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি
তামান্নার অত্নহত্যার বিষয়ে এলাকায় বেশ অঅলোচনার সৃষ্টি করেছে। যে মেয়েটি স্কুলে যাবেন ও বন্ধুদের সাথে খেলাধূলা করবেন। বিয়ে বুঝার আগেই, বিয়ের পিড়িতে বসতে হলো। সংসার বুঝার আগেই সবছেড়ে চলে যাওয়ার মতো কঠিন কাজ কেন করলেন? এমন প্রশ্ন স্থানীয় অনেকের মধ্যে।
মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলায় তামান্না আক্তার (১৫) নামে এক অন্তঃসত্তা ঘরের আড়ার সাথে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছে।

মঙ্গলবার সকাল ৭টায় উপজেলার শিলই ইউনিয়েনর পূর্বরাখি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে ।
মাত্র ১৫ বছরে তামান্না অন্তঃসত্তা। বাল্যবিয়ের পিড়িতে বসতে হয়েছিল তামান্নার। বিয়ের বয়স না হতেই আত্মহত্যা করতে হয়েছে মেয়েটির। স্থানীয় সচেতন মহল বলছেরন, বাল্যবিয়ের কাজ বন্ধ না হলে তামান্নারা অকালে চলে যাবেন এ পৃথিবীর আলো বাতাস ছেড়ে।
নিহত তামান্না কুষ্টিয়া জেলার দৌলতপুর উপজেলার বাংলাবাজার গ্রামের মফিজ শেখের স্ত্রী। সে দীর্ঘদিন যাবত সদর উপজেলার পূর্বরাখি গ্রামের রব শেখের ভাড়া বাড়িতে স্বামী ও শ্বশুর-শাশুড়ি নিয়ে বসবাস করতো ।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সকালে তামান্নার স্বামী মফিজ কাজে চলে যায়। পরে তামান্না ঘরের দরজা বন্ধ করে দেয়। তামান্নার শাশুড়ি তামান্নার খোঁজ করলে সে ঘরের ফাঁকা দিয়ে তামান্নার ঝুলন্ত দেহ দেখতে পায় ।
পরে তামান্নার শাশুড়ির আত্মচিৎকারে প্রতিবেশিরা এসে ঘরের বেড়া ভেঙে তামান্নার মৃতদেহ উদ্ধার করে মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ বিষয়ে মুন্সীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনিচুর রহমান জানান, মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে তামান্নাকে নিয়ে তার পরিবার চিকিৎসার জন্য আসে । খবর পেয়ে পুলিশ পাঠানো হয়। তবে কি কারণে এই মৃত্যু জানা যায়নি । নিহতের পরিবার ও নিহতের শাশুড়িকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
তিনি আরো জানান, ময়নাতদন্তের রির্পোট পেলে বিস্তারিত জানা যাবে ।
