দৈনিক জাগো বাংলাদেশ
বাংলাদেশের সর্বাধিক প্রচারিত দৈনিক

মুন্সীগঞ্জে মন্দিরের জমির জাল দলিল

0 84

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

রিয়াদ হোসাইন
জাল দলিল তৈরি করে মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ী উপজেলার পাঁচগাঁও বীনাবাণী সার্বজনীন শ্রী শ্রী মন্দিরের ১০ শতাংশ জমি আত্মসাৎ করার পায়তারার অভিযোগ উঠেছে ওই এলাকার প্রল্লাদ বিশ্বাস নামের এক ব্যাক্তির বিরুদ্ধে । এ নিয়ে মন্দির কমিটি ও প্রল্লাদ বিশ্বাসের সাথে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

জানাযায়, ১৯৮০ সালে পাচঁগাওঁ গ্রামের নারায়ণ চন্দ্র ব্যানার্জী সরকার থেকে পাঁচগাঁও মৌজার আরএস ৮৭৪নং দাগের ৪৯শতাংশ জমি তার নামে লিজ আনেন। পরবর্তীতে ১৯৯৮ সালে লিজকৃত জায়গার মধ্যে ৬ শতাংশ জমির উপর সে পাঁচগাঁও বীনাবাণী সার্বজনীন শ্রী শ্রী মন্দিরটি প্রতিষ্ঠিত করেন ।

জমি স্বল্পতার কারণে মন্দিরে পূজা বা প্রার্থনা করতে গেলে হড্ডগোলের সৃষ্টি হয় । তাই বর্তমান মন্দির কমিটি মন্দিরটি সম্প্রসারণ করার উদ্যোগ নেন । এরআগে মন্দিরের পাশের ওই জমিতে নারায়ন চন্দ্র ব্যানার্জী প্রল্লাদ বিশ্বাস নামের এক ব্যাক্তিকে বসবাস করতে দেন । বর্তমানে মন্দিরটি সম্প্রসারনের জন্য নারায়ন চন্দ্র ব্যানার্জী প্রল্লাদ বিশ্বাসকে তার লিজ নেওয়া জমি ছেড়ে দিতে বললে প্রল্লাদ বিশ্বাস ওই জমি নিজের বলে দাবী করেন এবং একটি দলিল দেখান। যা পরবর্তীতে তল্লাশি করে জাল বলে প্রমাণিত হয়।

- Advertisement -

মন্দির কমিটির সহ-সভাপতি রতন বিশ্বাস জানান , এ জমির লিজ সূত্রে মালিক মন্দির কমিটির সভাপতি নারায়ণ চন্দ্র ব্যানার্জী মন্দিরের জন্য ২৪ শতাংশ জমি দেন। পরে উক্ত জমি থেকে প্রল্লাদ বিশ্বাসকে অন্যত্র সরে যাওয়ার জন্য নোটিশ দিলে ওই জমি নিজের বলে দাবি করেন । এতে প্রল্লাদ বিশ্বাসের ছেলে উত্তম বিশ্বাসের সাথে মন্দির কমিটির উত্তেজনা মূলক পরিস্থতির সৃষ্টি হয় ।

মন্দির কমিটির সভাপতি নারায়ণ চন্দ্র ব্যানার্জী জানান, আমার নামে ৪৯ শতাংশ লিজকৃত জমিতে প্রল্লাদ বিশ্বাস প্রায় ৭ শতাংশ জমি ভোগ দখল করে বসবাস করে আসছে । বর্তমানে মন্দির সম্প্রসারণ করার জন্য মন্দিরের জমি প্রয়োজন তাই তাকে ওই জমিটি ছেড়ে অন্যত্র চলে যেতে একাধিকবার বলা হয়েছে । কিন্তু সে ওই জমিটির জাল দলিল তৈরি করে ১০ শতাংশ জমি তার বলে দাবি করেছেন । তার দাবির পরিপ্রেক্ষিতে আমি অভিযোগ করলে সাব-রেজিস্ট্রার অফিস একটি তল্লাশি করেন । সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের তল্লাশি রিপোর্টে তার দলিল জাল বলে প্রমাণিত হয় ।

অভিযুক্ত প্রল্লাদ বিশ্বাস জানান, জমির প্রকৃত মালিক আমার মামা শ্বশুর শ্রী কালি মোহন দে আমার স্ত্রী শ্রী মতি চারু বেপারির নামে ১০শতাংশ জমি দলিল করে দেন।পরবর্তীতে প্রকৃত মালিক শ্রী কালি মোহন দে এ জমি রেখে দেশ ছেড়ে চলে যান । এ জমিতে আমরা গত ১৯ বছর যাবত ঘর-বাড়ি তুলে বসবাস করে আসছি। এখন মন্দির কমিটি মন্দিও সম্প্রসারণ করার জন্য আমাদেও এ জায়গা থেকে সওে যেতে চাপ প্রয়োগ করছেন ।

এ বিষয়ে টঙ্গীবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোসাম্মৎ হাসিনা আক্তার জানান, জাল দলিল করেছে কিনা আমার জানা নেই, এই জমিটি ভিপি সম্পত্তির অন্তভুর্ক্ত । আমি তাদেও কাগজপত্র নিয়ে আগামী সোমবার আসতে বলেছি। কাগজপত্র দেখে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহন করা হবে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More