দৈনিক জাগো বাংলাদেশ
বাংলাদেশের সর্বাধিক প্রচারিত দৈনিক

শ্রীপুরে লেখা-পড়ার পাশাপাশি অটোচালকের লাশ উদ্ধার গ্রেফতার-১

0 26

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

নিজস্ব প্ররতিবেদকঃ

গাজীপুরের শ্রীপুরে এক কিশোর অটোরিক্সা চালককে হত্যা করে তার অটো ছিনিয়ে নিয়ে বিক্রি করার সময় ইমন (১৯) নামের এক যুবককে স্থানীয়দের সহায়তায় আটক করেছে শ্রীপুর থানা পুলিশ।

আটককৃত যুবকের দেয়া তথ্য মতে শনিবার (৬ জুন) দিবাগত গভীর রাতে নয়নপুর- বরমী সড়কের দরগাচালা মাঝের টেক এলাকার গভীর জঙ্গল হতে নিহত হৃদয়ের লাশ উদ্ধার করা হয়।

উপজেলার কাওরাইদ ইউনিয়নের ফকিরপাড়া গ্রামের মো: সেলিম মিয়ার ছেলে নিহত হৃদয় (১২) । সে কাউরাইদ মোড়লপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্র ছিলো। লেখা-পড়ার পাশাপাশি সে তার চাচার অটো রিকশা চালাতো।

- Advertisement -

আটক অভিযুক্ত ইমন (১৯) ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার মো: সুমন মিয়ার ছেলে। ইমন তার নানাবাড়ি ফকিরপাড়া থেকে একটি অটোরিক্সা গ্যারেজে কাজ করতো।

শ্রীপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আশিষ কুমার জানান, নিহত হৃদয় মাঝে মধ্যেই চাচার অটোরিক্সা চালাতো। শনিবার(৬ জুন) বিকেল সাড়ে চারটার দিকে ঘাতক ইমন একটি অটোরিক্সার ব্যাটারী কেনার জন্য হৃদয়ের অটোরিক্সাযোগে বের হয়। পরে কাওরাইদ এলাকা থেকে নয়নপুর-বরমী সড়কের মাঝের টেক এলাকার নির্জন জায়গায় নিয়ে যায় হৃদয়কে। ওই সময় কৌশলে জঙ্গলের ভেতর রশি ও জঙ্গলের মোটা লতা দিয়ে হৃদয়কে শ্বাসরোধে হত্যার পর তার মাথা মাটির নিচে পুঁতে ফেলে।

পরে হৃদয়ের অটো রিক্সা নিয়ে বরমী পাঠানটেক এলাকার তোফায়েল মিয়ার গ্যারেজে বিক্রির জন্য নিয়ে যায় ইমন। এসময় গ্যারেজ মালিক তোফায়েল ছিনতাই হওয়া অটোরিক্সাটি পঁয়ত্রিশ হাজার টাকায় কেনার প্রস্তাব দিয়ে এক হাজার টাকা অগ্রিম প্রদান করে ইমনকে। পরে কৌশলে অটোরিক্সার প্রকৃত মালিকানা খুঁজতে ইমনকে আটক করে তাঁর মায়ের মোবাইল ফোনে কথা বললে তার মা জানায় তাদের কোন অটোরিক্সা নেই।

পরে নিহতের পরিবারের কাছে ইমনের মা অটোরিকশাটি ফেরত দিতে গেলে হৃদয় কোথায় জানতে চাইলে ইমন প্রথমে বিভিন্ন তালবাহানা করে পরের লোকজনের চাপে পড়ে হত্যার কথা স্বীকার করে।এসময় তার কাছ হতে হৃদয়ের মুঠোফোনও উদ্ধার করা হয়। পুলিশ ইমনের দেয়া তথ্যমতে হৃদয়ের লাশ উদ্ধার করেএবং আসামি ইমনকে আটক করা হয়েছে।

শ্রীপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লিয়াকত আলী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, মরদেহ উদ্ধারের সময় নিহতের মুখে এবং গলায় রশি দিয়ে বাঁধা ছিল। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় হত্যাকারীকে আটক করা হয়েছে। মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More