দৈনিক জাগো বাংলাদেশ
বাংলাদেশের সর্বাধিক প্রচারিত দৈনিক

রূপগঞ্জে খুনের ঘটনায় মামলা, গ্রেফতার-৩

0 24

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের চনপাড়া পূর্ণবাসন কেন্দ্রের হত্যাসহ ১৭ মামলার আসামী আনোয়ার হোসেন হত্যার ঘটনায় অয়াজিউল্লাহসহ শাহিন খাঁন ও শাহ আলম নামের আরো দুই জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গতকাল বৃহস্পতিবার ভোরে পুর্বগ্রাম এলাকা থেকেই ওই দুই জনকে গ্রেফতার করা হয়। বুধবার রাতেই হত্যাকান্ডের ঘটনায় নিহত আনোয়ার হোসেনের স্ত্রী সাথী বেগম বাদী হয়ে ৯ জনকে নামীয় ও অজ্ঞাত ৪ থেকে ৫ জনকে আসামী করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। গ্রেফতারকৃতরা এজাহার নামীয় ৯জন আসামীর মধ্যে ৩ জন।

- Advertisement -

অপর দিকে, রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল হাসান জানিয়েছেন, গ্রেফতারকৃত ওয়াজিউল্লাহ পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকান্ডের দায় স্বীকার করেছেন। জিজ্ঞাসাবাদে ওয়াজিউল্লাহ পুলিশকে জানিয়েছে তাকে ডেকে নিয়ে থাপ্পর মারায় ক্ষিপ্ত হয়ে ওয়াজিউল্লাহ ধারালো অস্ত্র দিয়ে আনোয়ার হোসেনকে কুপিয়ে হত্যা করেছে।
ওসি আরো জানান, গ্রেফতারকৃতদের দশ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে। তাদের আরো জিজ্ঞাসাবাদ, বাকিদের গ্রেফতার ও তদন্ত করে হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটন করে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে। এছাড়া হামলা ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনায় কেউ অভিযোগ দিলে মামলা নেয়া হবে। তবে এখন পর্যন্ত কেউ অভিযোগ দেয়নি।
এ মামলার এজাহার নামীয় আসামী হলেন, পুর্বগ্রাম এলাকার মৃত আতাব উদ্দিনের ছেলে নাসির উদ্দিন, সালাউদ্দিন ওরফে সালু, মৃত শাহাজ উদ্দিনের ছেলে ওয়াজিউল্লাহ, মৃত ছালামত খাঁর ছেলে শাজিন খাঁ, শহিদুল্লাহ’র ছেলে সাইদুল ইসলাম, মানিক বেপারীর ছেলে স্বপন, খোয়াজ বক্সের ছেলে মোকলেছ, শাহআলম ও মৃত রাজ্জাকের ছেলে রাজিব।
এদিকে, দুপুর ২টার দিকে ময়না তদন্ত শেষে আনোয়ার হোসেনের লাশ চনপাড়ায় আসলে জানাযা শেষে সামাজিক কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন করা হয়। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন ছিলো।
উল্লেখ্য, আনোয়ার হোসেন চনপাড়া পূর্ণবাসন কেন্দ্রের মৃত বাদশা মাঝির ছেলে । বেশ কিছু দিন ধরেই আনোয়ার পুর্বগ্রাম এলাকার মাইনুলের বাড়িতে ভাড়ায় বসবাস করতো। গত বুধবার দুপুরে ওই ভাড়া বাড়িতেই প্রতিপক্ষ ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাথারি ভাবে কুপিয়ে হত্যা করে। এরপর হত্যার জেরে আনোয়ারের লোকজন ধারালো ও দেশীয় অস্ত্রেশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে পুর্বগ্রামের মানুষের বাড়িঘর ও দোকানপাটে হামলা ভাংচুর ও লুটপাট চালায়। এসময় প্রায় অর্ধ শতাধীক মানুষ আহত হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ৩০ রাউন্ড রাবার বুলেট নিক্ষেপ করেন।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More