সবার মুখে মাস্ক পরা, মহিলাদের বোরকা পরা!
নিজস্ব প্রতিবেদক, অফিসঃ
প্রতি ঈদুল ফিতরের দিন ঢাকা শহরে ঘোরার অভিজ্ঞতা আছে আমার। কিন্তু এবার অভিজ্ঞতা সম্পূর্ণ ভিন্ন। চিরচেনা সেই ঈদ নেই ঢাকা শহরে। মানুষের ভিড়ে বোঝা দায় ছিল কে ভিক্ষুক বা পথশিশু।
এবার প্রথম দেখছি, সবার মুখে মাস্ক পরা, মহিলাদের বোরকা পরা। রাস্তায় মোড়ে আগের ঈদে শুধু ভিক্ষুক ও পুলিশ থাকতো। এবার প্রচুর মানুষের সমাগম। করোনা বা লকডাউনের কথা ভুলে গিয়েছিলাম।
ঈদ আনন্দকে থামানো যায় না। চন্দ্রিমা উদ্যান, রমনা পার্ক, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনেক মানুষের ভিড়। রাস্তার মোড়ে কোন ব্যক্তিগত গাড়ি থামতেই চারপাশ থেকে মানুষ ছুটে আসে খাবার সংগ্রহ করতে।
পুলিশের চাকুরী করা সময়ে এমন দৃশ্য চোখে আর পরেনী। এবার প্রথম। আগে কোন ঈদে এমন দৃশ্য দেখিনি। এবার খাবার দেয়া এবং নেয়া দু’পক্ষের উপস্থিতী ছিল রাজপথে।
আপনার সরলতাকে বোকা করে দিবে। অভিজ্ঞতা আছে বলেই অনেক মোড়ে খাবার সংগ্রহকারীদের আধিক্য দেখে দ্রুত সরে গেছি। পূর্ব অভিজ্ঞতা আছে, এরা জটলা করে গাড়ি আটকিয়ে দেয়। তারপর খাবার কেড়ে নেয়ার চেষ্টা করে।
একটা বিষয় খেয়াল করলাম, প্রায় সবার সংগ্রহে আগে থেকেই খাবারের প্যাকেট, কোমল পানীয় দেখা গেল। অন্যবারের চেয়ে এবার রাস্তায় পুলিশের উপস্থিতি বেশ।
মানুষ মানুষের জন্য। জীবন জীবনের জন্য। মমতা নারীর বুকে জন্ম। অহংকারহীন মানুষ অনেক বড়। মন সুন্দর ত জগৎ সুন্দর। এমন অনেক কথা আছে, যার বাস্তবতা দেখা একটু না বেশ কষ্ট সাধ্য বিষয়। এসব কথা গুলো যদি পুলিশের বেলায় বাস্তব হয়ে থাকে তবে অভাক বা আৎকে উঠবেন অনেকেই। না সেবার জায়গাটা এখনো সেবার স্থলেই আছে বলে মনে করেন অনেকে।
তাদের নজর ফাঁকি দেয়া দায়। মাস্ক, চশমা পরে থাকলেও অনেকে দেখেই চিনতে পেরেছেন। অনেক পুলিশ সদস্য আমাদের খাবার পেয়ে খুশি। আবার অনেকেই বলেছে তাদের নিকট খাবার আছে। বরং এ খাবার রাস্তায় ছিন্নমূল মানুষের মাঝে বিতরণ করতে।
