নিজস্ব প্রতিবেদক, অফিসঃ
মানুষ মানুষের জন্য। জীবন জীবনের জন্য। মমতা নারীর বুকে জন্ম। অহংকারহীন মানুষ অনেক বড়। মন সুন্দর ত জগৎ সুন্দর। এমন অনেক কথা আছে, যার বাস্তবতা দেখা একটু না বেশ কষ্ট সাধ্য বিষয়। এসব কথা গুলো যদি পুলিশের বেলায় বাস্তব হয়ে থাকে তবে অভাক বা আৎকে উঠবেন অনেকেই।
সেবা পেশা। সেবা নেশা। সেবা ধর্ম। পুলিশ জনগনের বন্ধু। পুলিশের মধ্যে এসকল আচরণ প্রতিনিয়ত থাকবে এবং থাকতে হয় তা দেখতে একজন নারী পুলিশ অফিসারের একটি ছবি পেশাগত দায়িত্বর দিক থেকে হুবহু মিলে যায়। তিনি দেশে সুপরিচিত ও সনামধন্য পুলিশ সুপার।
পুলিশ সুপার । এ পদের আগে বেশ কয়েকটা ছোট পদ আছে। তার মানে পুলিশ সুপার বড় পদ। এমন পদে থেকে দায়িত্বরত এলাকার সাধারন মানুষের বাড়ি বাড়ি পুলিশের সেবা পৌছে দেয়া বেশ দায়িত্বশীলতার বিষয়।“ দৈনিক জাগো বাংলাদেশ“ অনলাইন পোর্টালের একজন সংবাদকমী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছিলেন ঈদের দিন রাতে। তার দৃষ্টিতে আসে একটি ছবি। কাল ক্ষেপন নেই তার। মমতাকে ফুটিয়ে তোলা সংবাদ পত্রে বেশ কঠিন। সাহিত্য, উপন্যাস, গল্পে ফুটিয়ে তোলা যায় বেশ।
ঢাকা ডিভিশনের মধ্যে নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুর শিল্পঞ্চাল খ্যাত জেলা। এ জেলার এমন কোন উপজেলা বা গ্রাম নেই যেখানে ছোট-বড় শিল্প প্রতিষ্ঠান নেই। গাজীপুর পুলিশ সুপার হিসেবে না একজন নারী পুলিশ সুপার হিসেবে বিভিন্নভাবে চিনেন শামসুন্নাহার (পিপি) নামটা। তিনি সাম্প্রতিক সময় জেলা জুড়ে বেশ কিছু কাজ করেছেন যা সাধারন মানুষের মুখে সুখের হাঁসি দিয়ে বলে বেড়ায়। একটা কাজের কথা আপাদত বলি। করোনা ভাইরাস চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ছে। এমন অবস্থায় মানুদের ঘরে রাখার জন্য তার পুলিশ সদস্যসহ নিজে বাড়ি বাড়ি খাদ্য সামগ্রী পৌছে দিয়েছেন। অপ্রয়োজনে বাড়ির বাহিরে যাওয়ার চেষ্টা যেন না করেন তাও বলে দিতে শোনা গেছে হ্যান্ড মাইকে।
বলেছিলাম মা‘য়ের রং হয়না। হয়ত ব্যক্তিগত নয়ত অফিসিয়াল কোন কাজে যাচ্ছিলেন গিাজীপুরের পুলিশ সুপার শামসুন্নাহার। পথে একজন বৃদ্ধা নারীকে দেখে নেমে আসলেন গাড়ি থেকে। এসে তার হাত ধরলেন। তার কি সমস্যা শোনার চেষ্টা করলেন। সমাধান পেয়ে গেলেন সে বৃদ্ধা। মমতা কি? সেবা কি? মা কি? দায়িত্ব কি? এমন অনেক কি? এর উত্তর সহজ হয়ে যাবে এমন বড় পদে চাকুরী করে সাধারন মানুষের হাত ধরে হেঁটে হেঁটে তার কথা শোনার পরে সমাধান খোঁজেন। শামসুন্নাহারের কাছে মা“য়ের কোন রং নেই।
