মোঃ সাইফুল ইসলাম, নারায়ণগঞ্জ :
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের শিমরাইল মোড় এলাকায় রাস্তার দুই পাশে গত ৩রা মে বুধবার নারায়ণগঞ্জ জেলা সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর, জেলা প্রশাসন ও র্যাব পুলিশ, আনসার বাহিনীর যৌথ অভিযানে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছ্বেদ করা হয়। এক সপ্তাহ যেতে না যেতেই রাস্তার উত্তর পাশে শিমরাইল মোড়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক দখল করে সাইনবোর্ড থেকে শিমরাইল মোড় পর্যন্ত রাস্তার উপর প্রায় শতাদিক বাস কাউন্টার ও কয়েকশত অবৈধ দোকান পাট বসিয়েছে একটি চক্র। এসব দোকান পাট ও কাউন্টার থেকে চক্রটি প্রতিমাসে মাসে হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা।
সরেজমিনে অনুসন্ধানে দেখাযায়, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের শিমরাইল মোড় এলাকা থেকে সাইনবোর্ড পর্যন্ত মহাসড়কের উপর প্রায় শতাধিক বাস কাউন্টার বসানোর ফলে মহাসড়কে প্রতিদিনই ঘন্টার পর ঘন্টা যানযট লেগেই থাকে । এতে বাড়ছে জনদুর্ভোগ।
জ্যামে পড়ে থাকা ট্যাংক লরি গাড়ীর চালক শফিক জানান, আমি শিমরাইল মোড় বাসের জন্য প্রায় ঘন্টা খানেক জ্যামে আটকে আছি এতে টেংকে থাকা তেল বেশিক্ষণ রোধে থাকলে টাংকি বাষ্ট হয়ে আগুন লাগার সম্ভবনা আছে।
কুমিল্লা গামী বাসের ৬০ উর্ধ্ব এক নারী যাত্রী বলেন, অনেকক্ষন যাবৎ জ্যামে পড়ে আছি বোরকার ভিতরে গরমে দম বন্ধ হয়ে আসছে ।
মহাসড়কে যানযটের বিষয়ে শিমরাইল হাইওয়ে পুলিশের ক্যাম্প ইনচার্জ টি আই সরফুউদ্দিন আহমেদ এর নিকট জানতে চাইলে তিনি জানান- দীর্ঘদিন ধরে এখানে অনেক অনেক গুলো বাস কাউন্টার ছিলো আমরা একবার উচ্ছেদ করছি আবারও উচ্ছেদ করা হবে।
সড়ক ও জনপথ বিভাগের ইন্জিনিয়ার সাখাওয়াত হোসেন সাংবাদিকদের জানান- আমাদের সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে কোনো প্রকার মহাসড়কে বাস কাউন্টার বসানোর অনুমতি দেওয়া হয় নাই।
মহাসড়কে জ্যাম সৃষ্টি করে এধরনের বাস কাউন্টার বসানোর বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ হাইওয়ে সার্কেল এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল কাদির জিলানীর কাছে মুঠো ফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন- মহাসড়কে জ্যামের বিষয়টি আমার জানা ছিলো না আমি দেখে ব্যবস্থা নিচ্ছি।

