রূপগঞ্জের তারাব পৌরসভায় ফিলিস্তিনে গণহত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ-
স্টাফ রিপোর্টার:- মোঃ সাইফুল ইসলাম।
নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জের তারাব পৌরসভায় ফিলিস্তিনে চলমান নির্মম গণহত্যা ও আগ্রাসন এবং হত্যাযজ্ঞ বন্ধের আহ্বান জানিয়ে ইসরাইলি হানাদার বাহিনির বর্বর হামলার প্রতিবাদে সম্মিলিত উলামা পরিষদ তারাব পৌরসভার উদ্যোগে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত। বিক্ষোভ সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন সর্বস্তরের সহস্ত্রাধিক তৌহিদি জনতা ও স্থানীয় আলেম উলামা ।
শুক্রবার (১১ এপ্রিল) জুম্মার নামাজের পর উপজেলার তারাব পৌরসভার বিশ্বরোড চত্ত্বরে বিক্ষোভ সমাবেশ ও প্রতিবাদ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। জুমার নামাজের পরপরই পৌরসভার বিভিন্ন এলাকার মসজিদ থেকে শত শত তৌহিদি জনতা খন্ড খন্ড মিছিল নিয়ে তারাব বিশ্বরোড গোলচত্ত্বরে একত্রিত হয়।
প্রতিবাদ মিছিল পরবর্তী বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, তারাব পৌরসভা সম্মিলিত উলামা পরিষদের সভাপতি মাওলানা মুফতি বদরুল আলম সিলেটি, সিনিয়র সহ-সভাপতি মুফতি আঃ কাইয়ুম মাদানী, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা হাসান মহসিন, সহ সভাপতি মাওঃ রফিকুল ইসলাম, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মুফতি ইউসুফ সিদ্দিক, মাওলানা আঃ মান্নান সিরাজী, মুফতি মনিরুজ্জামান কাশেমী, মুৃফতি ওয়ালি উল্লাহ তাজী, তারাব পৌর বিএনপির সভাপতি তাশিক হক ওসমান, ছাত্রদল নেতা রাহাত, ইমরান সহ প্রমুখ।
সমাবেশে বক্তারা কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ফিলিস্তিন মুসলমানদের প্রাণের স্পন্দন আল আকসা মসজিদ আজ আগ্রাসনের মুখে। ইসলামের প্রথম কিবলা ও ইতিহাস ঐতিহ্যে ভরপুর পবিত্র এই স্থানকে ঘিরে ইসরায়েলি বাহিনীর বর্বরতা ও ফিলিস্তিনি জনগণের ওপর নির্বিচার হামলা মানবতাবিরোধী অপরাধ। অবিলম্বে এই গণহত্যা বন্ধে আন্তর্জাতিক মহলের কঠোর হস্তক্ষেপের দাবি জানান তারা।
বক্তারা আরো বলেন, ইসরাইলী অর্থ ব্যবস্থার প্রতি ঘৃনা রেখে বাংলাদেশে ইজরায়েলি সকল পণ্য অবিলম্বে বয়কট করতে হবে। আমরা তারাব পৌরসভার সকল দোকানদার ভাইদের প্রতি অনুরোধ সহকারে বলবো- আপনারা আপনাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে কোন ইজরায়েলি পণ্য রাখবেন না।
ফিলিস্তিন মুসলিমদের আত্মার এক অবিচ্ছেদ্য অংশ আলআকসা মসজিদ। সেখানে চলমান হামলা কেবল একটি অঞ্চলের নয়, সমগ্র মুসলিম বিশ্বের প্রতি আঘাত। এই অমানবিক গণহত্যা অবিলম্বে বন্ধ হওয়া উচিত।
যেখানে নিরীহ শিশু ও নারীদের রক্তে রঞ্জিত হচ্ছে মাটি, সেখানে চুপ থাকা মানে অপরাধে অংশ নেওয়া। তাই আমাদের প্রতিবাদ চলবে, যতদিন না নির্যাতন বন্ধ হয়।
পরে ফিলিস্তিনিবাসী সকল শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া মোনাজাত করা হয়
