মোয়াজ্জেম বিন আউয়াল
উপরে ফিটফাট ভিতরে সদর ঘাট। আমরা কতভাবে প্রতরণার শিকার তার শেষ কোথায়? আমরা ক্রেতা ওরা বিক্রেতা। আমরা মানুষ ওরাও মানুষ। তবে প্রতারণা আসবে কেন? এমন প্রশ্নের উত্তর আজও কারও কাছে আছে কি না আমার জানা নেই। নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে সাধারন মানুষ প্রতিনিয়ত পন্য কিনে প্রতারনার শিকার হচ্ছে বলে অভিযোগ ভোক্তভোগিদেরসহ স্থানীয় লোকজনের।
প্রশাসনের লোকজন দায়িত্ব পালন করছেন অবিশ্বাস করার সুযোগ নেই। তবে প্রতিটি বিষয়ে মনিটরিং হচ্ছেনা এমনটাও অবিশ্বাস করার সুযোগ নেই। এক কেজি আপেল বা মালটা নয়ত আঙ্গুর যাই কিনেন আপনি প্রতারণার শিকার হচ্ছেন। যে পোটলায় আপনাকে দোকানী পণ্য দিচ্ছেন তার তলায় আনুমানিক ওজনের ছয় ভাগের একভাগ কাগজ থাকে।
বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠান মোড়ক বা প্যাকেটের মাধ্যমে ক্রেতা ঠকানোর ধান্ধায় রয়েছে। ফল কিনতে গেলে ফলের প্যাকেটের তলার ওজন বেশি। দুই কেজি ফল কিনলে ২৫০ গ্রাম তার প্যাকেটের ওজন। নানান ভাবে ক্রেতাকে ঠকানোর প্রতিযোগিতায় নেমেছে অসাধু ব্যবসায়ী। সাধারন ক্রেতারা এ থেকে পরিত্রান চায়।
আড়াইহাজারের সুজন মিয়া বলেন, আমি গতকাল ৭০ টাকা দিয়ে প্লাস্টিকের মোড়কের ফুলকলি স্পেশাল বিস্কুট কিনলাম। মোড়কটি খোলার পর প্যাকেটের ভিতরে বিস্কুটের চেয়ে টুকরো টুকরো কাগজের পরিমান বেশি পেলাম। যা দেখে আমি হতবাক হয়ে গেলাম। এই ভাবে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ক্রেতাদের ঠকাচ্ছে বলে আমি মনে করি।
দস্তরদি গ্রামের কাইয়ুম বলেন, মিষ্টি কিনলে মিষ্টির কার্টুনের ওজন অনেক বেশি থাকে। মিষ্টির দামে কার্টুন কিনতে হচ্ছে যা অত্যান্ত হতাশাজনক। এতে করে সাধারণ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
আড়াইহাজারের ইউএনও মোঃ সোহাগ হোসেন বলেন, আমরা কিছুদিন আগে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে অনেক প্রতিষ্ঠানকে বিভিন্ন অনিয়মের কারনে জরিমানা করেছি। আমরা পরবর্তীতে অতি দ্রুত সময়ের মধ্যে উপরোক্ত বিষয় নিয়ে নজরদারি বৃদ্ধি করবো এবং প্রতিকারের সর্বোচ্চ চেষ্টা অব্যাহত রাখবো।
