দৈনিক জাগো বাংলাদেশ
বাংলাদেশের সর্বাধিক প্রচারিত দৈনিক

ফরিদপুরে কীটনাশক প্রয়োগে কৃষকের ফসল নষ্ট

0 19

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

এসএম আবুল বাশার, ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধি :

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে কীটনাশক প্রয়োগের পর লাউ ও বেগুন ক্ষেতের সমস্ত ফসল নষ্ট হয়ে গেছে। ক্ষতির পরিমাণ প্রায় চার লক্ষাধিক টাকা। জানা গেছে, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের নাম সানোয়ার মোল্যা। তিনি উপজেলার চতুল ইউনিয়নের শুকদেবনগর গ্রামের গোলাম রসুল মোল্যার ছেলে।

সানোয়ার মোল্যা জনৈক ব্যক্তির নিকট থেকে গুনবহা ইউনিয়নের ধোপাপাড়া গ্রামের ১ একর ৫০ শতাংশ জমি বার্ষিক ৩০ হাজার টাকায় বিশ বছরের জন্য লিজ নেন। তিনি ৭৫ শতাংশ জমিতে লাউ গাছ এবং সমপরিমাণ জমিতে বেগুনের চাষ করেন।গত বৃ্হস্পতিবার ৯ জুলাই সকাল আটটায় ক্ষেতে কীটনাশক প্রয়োগ করেন।

দুপুরবেলা দেখতে পান তার ক্ষেতের সব লাউ ও বেগুন গাছ নেতিয়ে পড়েছে। পরে দেখতে পান এক পর্যায়ে ক্ষেতের সব লাউ ও বেগুন গাছ মরে গেছে। ক্ষেতে প্রায় আড়াই হাজার লাউ ছিল। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক সানোয়ার মোল্যা জানান, তিনি ওই দিন পার্শ্ববর্তী অালফাডাঙ্গা উপজেলার শিরগ্রাম বাজারের ‘মেসার্স বিসমিল্লাহ ট্রেডার্স এণ্ড গ্যাস ভাণ্ডার’ নামক সার ও কীটনাশকের দোকান থেকে প্রয়োজনীয় কীটনাশক কিনে ক্ষেতে স্প্রে করি।

- Advertisement -

এরপর ক্ষেতের সব লাউ ও বেগুন গাছ মারা যায়। এতে আমার প্রায় চার লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে। লাউ ও বেগুন চাষে এ বছর আমার ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। তিনি অভিযোগ করে বলেন, ওই সার ও কীটনাশকের দোকানে গিয়ে আমি একটি কীটনাশক চাই। কিন্তু জাহিদুর রহমান ফুল মিয়া সেই কীটনাশক না দিয়ে ‘এমকিল’ নামক একটি ওষুধ দেন।

এই ওষুধ দেয়ার পরেই আমার সব গাছ মরে যায়। লাউ ও বেগুন গাছ মরে যাওয়ার পর ওই দোকানে ওষুধের প্যাকেট নিয়ে গেলে তিনি ওই প্যাকেট কৌশলে রেখে দেন।’মেসার্স বিসমিল্লাহ ট্রেডার্স এন্ড গ্যাস ভাণ্ডার’ এর মালিক জাহিদুর রহমান ফুল মিয়া। তিনি কৃষকের চাহিদামত কীটনাশক না দিয়ে নিজের লাভ বেশি হয় কিন্তু গুনগত মানে খারাপ-এমন কীটনাশক বিক্রি করেন।

তার বিরুদ্ধে লেভেলবিহীন কীটনাশক বিক্রি করারও অভিযোগ রয়েছে। গত বছর তিনি এক কৃষককে ধানের ক্ষেতে প্রয়োগ করার জন্য যে কীটনাশক দেন তাতে তার ৪০ শতাংশ ধানক্ষেত নষ্ট হয়ে যায় বলে অভিযোগ।

‘মেসার্স বিসমিল্লাহ ট্রেডার্স এন্ড গ্যাস ভাণ্ডার’ এর গ্যাস বিক্রি ও কীটনাশক বিক্রির লাইসেন্স নেই বলে তিনি সাংবাদিকদের কাছে স্বীকার করেন।অভিযোগের ব্যাপারে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে ‘মেসার্স বিসমিল্লাহ ট্রেডার্স এন্ড গ্যাস ভাণ্ডার’ এর মালিক জাহিদুর রহমান ফুল মিয়া বলেন, আমি ঠিক ওষুধ দিয়েছি। গাছ মরে গেলে আমি কি করব।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More