শিক্ষকের মনগড়া সিদ্ধান্তে সরকারী সম্পদ বিক্রির অভিযোগ
নিজস্ব প্রতিনিধি
বন বিভাগের কোনো প্রকার অনুমতি না নিয়ে ভোলা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের কয়েক লক্ষ টাকার গাছ কেটে স্বল্প মূল্যে বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে।
অভিযোগ উঠেছে ওই শিক্ষকের বিরোদ্ধে সরকারী সম্পদ, দরপত্র আহবান না করে কিংবা নিলামে না তুলে অনেকে গোপনে এ গাছগুলো কাটা হয় ও বিক্রি করা হয়।
ভোলা নাগরিক সমাজ বলছে ঐতিহ্যবাহী ভোলা সরকারি স্কুলের গাছ এভাবে স্বল্পমূল্যে বিক্রি করে দেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে তারা। বিষয়টি তদন্ত করে প্রতিষ্ঠানে প্রধানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
বিদ্যালয়টি বন্ধ। যারা কারনে অনেক শিক্ষক এ বিষয়ে কিছুই জানেন না। বিদ্যালয়ের অন্য শিক্ষকরা বলছেন, প্রধান শিক্ষক একক সিদ্ধান্তে বিদ্যালয়ের অঙ্গিনার গাছগুলো কাটা হয়েছে।
এ বিষয়ে স্কুলের প্রধান শিক্ষক দেলোয়ার হোসেন জানান, জেলা প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে কাছগুলো কাটা হয়েছে। কারণ প্রচণ্ড জরো বাতাসে গাছগুলো ভোলা খালের মধ্যে পড়ে গিয়ে মালবাহী বলগেট চলাচলে বিগ্ন ঘটছিলো বলে জানান। সামনে যেন এমন সমস্যা না হয় সেজন্য গাছ কাটা ও বিক্রি করা হয়েছে।
সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, কিন্তু সেই গাছগুলোর মধ্যে চাম্বুল ২টি, মেহগনি ২টি, সেগুন ২টি, রেইট্রি ১টি, তেতুঁল ১টিসহ ৭ টি লক্ষাধিক টাকা মূল্যের গাছ মাত্র ৬০ হাজার টাকায় বিক্রি করে দেয়া হয় বলে জানা গেছে। স্থানীয় কাঠ ব্যবসায়ী ইউনুছ এই গাছগুলো কিনে নিয়েছে বলে জানা যায়।
সরকারী যে কোন দফতরের যে কোন জিনিসপত্র ক্রয়-বিক্রয়ের নিয়মনীতি রয়েছে। গাছ বিক্রি করতে হলে বন বিভাগের কাছ থেকে অনুমতি সহ কাছের ক্রয় মূল্য নির্ধারণ করে দরপত্র আহবান করে বিক্রি করার কথা থাকলেও স্কুলের প্রধান শিক্ষক কোন নীতিমালা না মেনে গাছগুলো বিক্রি করে দেয়। আর তার এই কাজের সহযোগিতা করেছেন স্কুলের সহকারী শিক্ষক মাকসুদ রহমান ও মহিন হোসেন।
উপকূলীয় বন বিভাগ কর্মকর্তা তৌফিকুল ইসলাম বলেন, ভোলা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের গাছ কাটার জন্য আমাদের অফিস থেকে কোনো অনুমতি নেওয়া হয়নি। বিষয়টি আমার জানাও নেই। তবে বন বিভাগের অনুমতি না নিয়ে গাছ কাটা অন্যায়।
