দৈনিক জাগো বাংলাদেশ
বাংলাদেশের সর্বাধিক প্রচারিত দৈনিক

সাত সন্তানের জনকসহ পরিবার পাচ্ছেন না সাহায্য ও উপহার!

0 20

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

এস আল-আমিন খান পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি
মাছ ধরেন। দিন মজুরী করেন। কখনও রিকসা-ভ্যান চালান। পরিবারের মুখেরি আহার জোগার করতে বিভিন্ন কাজ করেন। খেটে খাওয়া এ মানুষটি কারও কাছে হাত পাততে যান না। তিনি শ্রম বিক্রি করে চলেন। দেশের অবস্থা ভাল না। করোনা ভাইরাসে সময় শ্রম বিক্রি করার প্রায় সবগুলো পথ বন্ধ। এখন নিরোপায়। তবুও লজ্জায় যেতে পারেন না সাহায্যের জন্য। করোনা ভাইরাসের প্রায় ৩ মাস চলমান। প্রায় তিন মাস ধরেই মানবেতর জীবনযাপন করছেন পরিবারের লোকজন নিয়ে।

সাত সন্তানের জনক ও পরিবারের পরিচিতিটা তুলে ধরা হলো, পটুয়াখালীর গলাচিপায় উপজেলার গোলখালী ইউনিয়নের সুহরী গ্রামের সাইফুল ইসলাম। তার বয়স প্রায় ৫০। সে ওই এলাকার সুফিয়ান মৃধার ছেলে।

সাইফুল ইসলাম বলেন, অভাবের সংসারে জন্ম। লেখাপড়া করার সুযোগ হয়নি। ছোট কাল থেকেই পরিশ্রম করে আসছি। বিয়ের আগে মানুষের বাড়ি বাড়ি কামলা দিয়েছি। আমার বয়স যখন ১০ বছর তখন থেকে জেলেদের সাথে মাছ ধরার কাজ শুরু করি। এ ছাড়াও পেটের দায়ে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ধরনের কাজ করতে হয়েছে।

- Advertisement -

এখন বয়স ধরেন ৫০ হতে পারে। এখনও মানুষের সাথে থেকে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করছি। আমার সংসারে ৭জন সদস্য আমার উপর নির্ভরশীল। কিন্তু বর্তমান করোনা ভাইরাসের দূর্যোগ মুহুর্তে আমি খেয়ে না খেয়ে স্ব-পরিবারে মানবেতর জীবনযাপন করছি।

তিনি আরও জানান, আমাদের এলাকার মামুন মৃধা ও ইমন মৃধার সাথে তুচ্ছ বিষয় নিয়ে আমাকে রাস্তায় একা পেয়ে আমার মাথার উপরে কোপ দেয়। আমি হাত দিয়ে ধরতে গেলে আমার ১টি আঙ্গুল হাত থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। আমি গলাচিপা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে রেফার হয়ে পটুয়াখালী হাসপাতালে ভর্তি হই।

সেখান থেকেও কর্তব্যরত চিকিৎসকরা আমাকে বরিশাল সেবাচিম হাসপাতালে ভর্তির জন্য পাঠালে দীর্ঘদিন অভাবে ধার দেনা করে সেখানে ভর্তি থাকি। কিন্তু টাকার অভাবে চিকিৎসা শেষ না হয়েই বাড়ি ফিরতে হয়। যা স্ব-পরিবার নিয়ে অনেক কষ্টে জীপন যাপন করছি। তাই সরকারের কাছে আমার আবেদন যাতে আমি ভাল মত চিকিৎসা করে পরিবার নিয়ে দু মুঠো ডাল ভাত খেয়ে বাঁচতে পারি।

এবিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান মো. নাসির উদ্দিন হাওলাদার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, সাহায্য সহযোগিতার আশ্বাস দেন। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে যোগাযোগ করার কথাও বলে তিনি।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More