ব্রেন টিউমারে আক্রান্ত মূসার জীবন বাঁচাতে মানবিক আবেদন
মো.শাহেল মাহমুদ
মায়াবী চেহারা, মেধাবী মুখ, ও যথেষ্ঠ বিনয়ী নাবালক মোহাম্মদ মূসা। ছোট থেকেই পোষন করছে মানবিক সপ্ন। লক্ষ তার, লেখাপড়া শিখে বড় হয়ে মানুষের পাশে দাড়াবার। কিন্তু ভাগ্যের নিয়তি মাত্র ১২ বছর বয়সেই বয়ে বেড়াচ্ছে জটিল রোগ “ব্রেন টিউমার”।
চিকিৎসার ব্যায় পাঁচ লক্ষ টাকার জন্য নিরাশায় প্রহর গুনছে মূসার পরিবার। স্বপ্নের পানে জলমল করা চোখ, ছলছল করছে নিরাশার জলে। ক্রমান্বয়ে হারিয়ে যাচ্ছে বেচেঁ থাকার সপ্নগুলো। খুঁজতে বেড়াচ্ছে সাহায্যের হাত।
মোহাম্মদ মূসা নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার নগরপাড়া গ্রামের শফিকুল ইসলামের ছেলে। তার বাবা পেশায় দিন মজুর। স্ত্রী, তিন সন্তান ও বৃদ্ধ মা-বাবাসহ সাত সদস্যের সংসারে একাই উপার্জক তিনি।
প্রতিদিনের রোজগারে কোনক্রমে সংসার চলছে তাদের। দুই সন্তানের লেখাপড়া আর ১১ মাসের শিশুর দুধের টাকা জোগাড় করতেই হিমশিম খাচ্ছেন বাবা শফিকুল। তার উপর বড় সন্তানের সফল অস্ত্রোপচার, চিকিৎসা-ঔষধসহ খরচ পড়বে প্রায় ৫ লাখ টাকা। একদিকে, মূসার পরিবারের সামর্থ নেই চিকিৎসা করাবার। অন্যদিকে দিনদিন জটিল হচ্ছে রোগটি। নিরুপায় বাবা-মা খুঁজছেন সাহায্যের হাত।
মূসার বাবা শফিকুল বলেন, রাজধানীর স্বামীবাগের “রওজাতুল উলুম কওমী মাদ্রাসা”র মক্তব বিভাগের ছাত্র মুসা। চিকিৎসার খরচ যোগাতে “ব্রেন টিউমার” নিয়ে গেল এক বছর ধরে মানুষের দ্বারে-দ্বারে ঘুরে বেড়াচ্ছে। শত চেষ্টা করেও খুজেঁ পায়নি সহযোগিতার হাত। ক্রমে-ক্রমে জটিল হচ্ছে রোগটি।
তিনি আরো বলেন, রাজধানীর মোহাম্মদপুরের আল-মানার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মূসা। বর্তমানে অস্ত্রোপচার ছাড়া মূসাকে বাঁচানো সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন হাসপাতালের চিকিৎসকরা। ২রা জুন মঙ্গলবার শুরু করতে হবে মুসার চিকিৎসা। অর্থের যোগান মিললে হবে অপারেশন। তাই ছেলের জীবন বাচাঁতে সমাজের বিত্তশালীদের কাছে দয়া ভিক্ষা চেয়েছেন দরীদ্র পিতা শফিকুল।
শফিকুলের ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর – ০১৯১৩৪১০৫৬৩। প্রিয় পাঠক, আপনার সহযোগিতায় হয়তো বেঁচে যাবে একটি প্রাণ। তাই, এগিয়ে আসুন, বাড়িয়ে দিন সাহায্যের হাত আর গড়ে তুলুন ভাতৃত্বের পৃথিবী।
