গাজীপুর প্রতিনিধিঃ
বাড়ির পাশে নদী। নদীর পারে শখের বিষয়ে শাক উঠাতে গিয়েছিল কনিকা নামের একজন এসএসপি পাশ করা মেয়ে। শাক তুলে বাড়ি ফিরবেন ঠিক করেছেন। পায়ে লাগা কাদা মাটি পরিস্কার করতে নদীর পারে যান। পা’দোয়ার সময় শাতার না জানা কণিকা নদীর পানিতে পড়ে যায়। শত চেষ্টায় পানি থেকে উঠতে না পেরে ডুবে যায়।

গাজীপুরের শ্রীপুরে শীতলক্ষ্যা নদীর সুতিয়া অংশ থেকে কনিকা ( ১৭) নামের এক স্কুল ছাত্রীর লাশ উদ্ধার করেছে ফায়ারসার্ভিস।
মঙ্গলবার (২৩) জুন বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে শ্রীপুর উপজেলার কাওরাইদ ইউনিয়নের ধামলই গ্রামের শীতলক্ষ্যা নদীর সুতিয়া অংশের কিনারাঘাট এলাকা থেকে নিহত স্কুল ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করে ভালুকা ফায়ারসার্ভিসের একটি ডুবুরি দল।
নিহত কনিকা আক্তার (১৭) শ্রীপুর উপজেলার কাওরাইদ ইউনিয়নের ধামলই গ্রামের কামাল উদ্দিনের মেয়ে। সে এই বছর ধামলই উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এস এসসি পাস করেছিলেন।
পরিবারের লোকজন জানায়, সকাল ৯ টার দিকে কণিকা বাড়ির পাশের খেতে শাক তুলতে যায়। এ সময় শাক তোলার সময় তার পায়ে লাগা কাদা পরিষ্কার করার জন্য সুতিয়া নদীর পাড়ে গেলে সে পা পিছলে নদীতে পড়ে যায়।
প্রথমে স্থানীয়রা নদীতে খুঁজাখুঁজি শুরু করে।পরে স্থানীয়রা খুজে না পেয়ে ভালুকা ফায়ারসার্ভিসকে খবর দিলে ফায়ারসর্ভিসের একটি ডুবুরি দল প্রায় আড়াই ঘন্টার চেষ্টায় মৃতদেহ উদ্ধার করেন।
ভালুকা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সিনিয়র ষ্টেশন কর্মকর্তা আল মামুন জানান, খবর পেয়ে ময়মনসিংহ থেকে একটি ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে পৌছে প্রায় আড়াই ঘন্টার চেষ্টায় ঘটনাস্থল থেকে একটু দূরে গভীর পানি থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।
