দৈনিক জাগো বাংলাদেশ
বাংলাদেশের সর্বাধিক প্রচারিত দৈনিক

পটুয়াখালীতে বিয়ের ৩০ বছর পরে যৌতুকের দাবিতে স্বামীর মারধর!

0 44

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

পটুয়াখালী প্রতিনিধিঃ

পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলায় যৌতুকের দাবিতে স্বামী আশরাফ ফরাজির (৬০) কর্তৃক নির্যাতনের শিকার হয়ে ৭ সন্তানের জননী কুলসুম বেগম (৫০), আইনি সহায়তার জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসারের বরাবর একটি অভিযোগ করেছেন। অভিযোগকারী গৃহবধু হচ্ছেন আশ্রাফ ফরাজীর স্ত্রী মোসা. কুলসুম বেগম (৫০)।

অভিযোগ সুত্রে জানাগেছে, প্রায় ৩০ বছর আগে কুলসুম বেগমের জানান, উপজেলার রতনদী তালতলী ইউনিয়নের নিম হাওলা গ্রামের সুন্দর আলী ফরাজীর ছেলে আশ্রাফ ফরাজীর সাথে পারিবারিক ভাবে ইসলামী শরিয়ত মোতাবেক আমার বিবাহ হয়। তার ঔরষে আমার গর্ভে ৬মেয়ে ও ১ ছেলে সন্তান জন্ম নেয়। তিনি আরও বলেন, বিবাহের পর থেকেই আমার স্বামী যৌতুকের জন্য আমাকে একাধিকবার শারিরিক ও মানসিক নির্যাতন করেন।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহ মো. রফিকুল ইসলাম বিষয়টি আমলে নিয়ে গলাচিপা থানাকে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। গৃহবধু তার সন্তানদের নিয়ে গলাচিপা থানায় অফিসার ইনচার্জ (ওসি)কে বিষয়টি জানান।

- Advertisement -

গলাচিপা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম অভিযোগটি গ্রহণ করেন। এসআই নজরুল রাড়ীকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে প্রতিবেদন দেওয়ার নির্দেশ দেন।

সকালে বাজারের জন্য আমার স্বামীর দোকানে গেলে আমাকে বাজারের মধ্যেই লোকজনের মধ্যে এলোপাথারী ভাবে মারপিট শুরু করেন। আমার ডাক চিৎকারে এলাকার লোকজন এসে আমাকে রক্ষা করেন। পরে এলাকাবাসী আমাকে গলাচিপা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

এবিষয় নিয়ে আশ্রাফ ফরাজীর মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন, মারধরের কথা তিনি অস্বীকার করেন।

এব্যাপারে ভিকটিম কুলসুম বেগম বাদী হয়ে নির্যাতন ও যৌতুক চাওয়ার বিরুদ্ধে গলাচিপা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে ১টি লিখিতভাবে জানান।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More