ছোট বলে তাই
করোনায় ভয় নাই,
গাড়ি ঘোড়া সহসাই
খোলা চাই খোলা চাই।
মরণ গাড়িটা
চলছে যে জোড়ে,
হেথাসেথা ঘুরেফিরে
মানুষকে ধরে।
চায়ের আড্ডায়
করোনা সাথী তাই,
জ্বর কাশি হাঁপানিতে
মরি আমি হায় হায়।
রোগী আছে
মেডিকেলে সীট নাই,
ঘুরি আমি রাস্তায়
যায়যে জীবনটা তাই।
মরণ গাড়িটা
চলছে জোড়ছে,
ওদেরতো হুস নাই
মাথাটা যে ঘুরছে।
অসবধানী লোকেরা
বলে তুই জ্ঞানহীন,
বিষ ফরমালিনে
বাঁচি আমি রাতদিন।
করোনায় রেগে গিয়ে
চেপে ধরে গলা,
পাইনা যে খুঁজি আর
জীবনের তলা।
করবে কি মানুষ
উপায় কি আছে,
খাবার যোগাড়ে
ঘর থেকে বের হয়
ত্রাণকতারও কাছে।
প্রতিদিনই কমবেশি
বাহিরেতে যেতে হয়,
দূরত্ব মেনে চলা
তারতো সাধ্য নয়।
সংকটে পড়ে
ত্রাণের জন্য মানুষ,
গাদাগাদি হুড়োহুড়ি
হয় যে বেহুশ।
বস্তির ঝুপড়িতে
সামাজিক দূরত্ব তবে,
রাখা যায়না বজায়
অসম্ভব বাস্তবে।
একটি কক্ষে জন পাঁচ
থাকে তারা দিন-রাত,
স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা
তাদের বড়ই কঠিন কাজ।
গরীবানা হাল
নিয়ন্ত্রিহীন আচরণ,
করোনার প্রকোপ
হয়না দমন।
ছোট বলে তাই
করোনায় ভয় নাই,
গাড়ি ঘোড়া সহসাই
খোলা চাই খোলা চাই।
মরণ গাড়িটা
চলছে যে জোড়ে,
হেথাসেথা ঘুরেফিরে
মানুষকে ধরে।
চায়ের আড্ডায়
করোনা সাথী তাই,
জ্বর কাশি হাঁপানিতে
মরি আমি হায় হায়।
রোগী আছে
মেডিকেলে সীট নাই,
ঘুরি আমি রাস্তায়
যায়যে জীবনটা তাই।
মরণ গাড়িটা
চলছে জোড়ছে,
ওদেরতো হুস নাই
মাথাটা যে ঘুরছে।
অসবধানী লোকেরা
বলে তুই জ্ঞানহীন,
বিষ ফরমালিনে
বাঁচি আমি রাতদিন।
করোনায় রেগে গিয়ে
চেপে ধরে গলা,
পাইনা যে খুঁজি আর
জীবনের তলা।
করবে কি মানুষ
উপায় কি আছে,
খাবার যোগাড়ে
ঘর থেকে বের হয়
ত্রাণকতারও কাছে।
প্রতিদিনই কমবেশি
বাহিরেতে যেতে হয়,
দূরত্ব মেনে চলা
তারতো সাধ্য নয়।
সংকটে পড়ে
ত্রাণের জন্য মানুষ,
গাদাগাদি হুড়োহুড়ি
হয় যে বেহুশ।
বস্তির ঝুপড়িতে
সামাজিক দূরত্ব তবে,
রাখা যায়না বজায়
অসম্ভব বাস্তবে।
একটি কক্ষে জন পাঁচ
থাকে তারা দিন-রাত,
স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা
তাদের বড়ই কঠিন কাজ।
গরীবানা হাল
নিয়ন্ত্রিহীন আচরণ,
করোনার প্রকোপ
হয়না দমন।
লেখক, কলামিষ্ট ও গবেষক মীর আব্দুল আলীম।
