রূপগঞ্জ প্রতিনিধি
হাঁসি খুশি একটি মুখ। অফিসের কাজে ও নিজ সংসার নিয়ে ব্যস্থ সময় কাটত যার। দপ্তরের কাজে আন্তরিকতায় বেশ প্রশংসা করেছেন অনেকেই। তার কাজে সন্তুষ্ঠ পৌরসভার কর্মকর্তারাসহ মেয়র। সবার আন্তরিকতা ও ভালবাসায় সিক্ত আমিরুল ইসলাম। দীর্ঘদিন তিনি নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার তারাবো পৌরসভার হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করেছেন।
একজন সৎ মানুষ হিসেবে আমিরুল ইসলাম এর নাম জানেন পৌরসভার লাখো নাগরীক। তিনি ইন্তেকাল করেছেন এমন খবরটা ছড়িয়ে পড়লে অনেকেই কেঁদেছেন। অনেকেই বিশ্বাস করতে পারেনী। মৃত্যুর সংবাদ ভূল হতে পারে না। অকালে মৃত্যুবরণ এমনটা মেনে নিতে পাজরে আঘাত এনেছে যারা আমিরুল ইসলামের মৃত্যুর সংবাদ পেয়েছেন। মৃত্যুকুলে মাথা রেখেছেন আমিরুল ইসলাম (৩০ সেপ্টেম্বর) সোমবার দুপুরে। তিনি হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে রাজধানীর বারডেম হাসপাতালে তিনি মৃত্যু বরণ করেন।
আমিরুল ইসলাম এর জন্মভূমি দেশের রাজবাড়ি জেলার পাংসা থানা এলাকার দরিবানলত। অদর্শবাদী মানুষ হিসেবে নিজ এলাকায়ও বেশ পরিচিত। আমিরুল ইসলাম আব্দুল গাফফার মাষ্টারের ছেলে। আমিরুল ইসলাম তারাবো পৌরসভায় হিসাব রক্ষক হিসেবে কাজ করে আসছিলো। তিনি মৃত্যুকালে দুই কন্যা ও স্ত্রীসহ অস্যংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন।
তারাবো পৌরসভা সূত্রে জানা যায়, সোমবার সকালে আমিরুল ইসলাম পৌরসভায় তার অফিসে আসেন। অফিসে কাজ করা কালীন সময়ে তিনি হঠাৎ অসুস্থ্য হয়ে পড়েন। পরে পৌরসভার অন্যান্য কর্মকর্তারা তাকে স্থানীয় বরপা লাইফ এইড হাসপাতালে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করে ঢাকায় রেফার্ড করেন। আমিরুল ইসলামকে ঢাকা বারডেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন।
