লকডাউন কঠোর করতে পুলিশ সদস্যরা মাঠে কাজ করবেন—-নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলাটি ২টি পৌরসভা ও একটি প্রস্তাবিত ইউনিয়নসহ ৭টি ইউনিয়ন রয়েছে। করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত কম সময়ের মধ্যে বেশি রূপগঞ্জ সদর ইউনিয়ন।
করোনা ভাইরাসের কবল থেকে বাঁচতে সকলের জন্য সরকার বিভিন্ন সময় বিভিন্ন প্রদক্ষেপ নিচ্ছেন। তারি ধারাবাহিকতায় করোনা সংক্রমণের অধিক ঝুকিপূর্ণ হওয়ায় নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়নকে আনুষ্ঠানিকভাবে লকডাউনের ঘোষণা দিয়েছে রূপগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন।
আজ (১১জুন) বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা প্রশাসক জসিম উদ্দিন উপজেলার সদর ইউনিয়দ পরিষদের অডিটোরিয়ামে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ঘোষণা দিয়েছেন।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মমতাজ বেগমের সভাপতিত্বে আরো উপস্থিত ছিলেন, জেলা পুলিশ সুপার জায়েদুল আলম সিভিল সার্জন মোহাম্মদ ইমতিয়াজ, উপজেলা চেয়ারম্যান শাহজাহান ভুইয়া, সহকারী কমিশনার (ভুমি) আফিফা খান, গ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মাহিন ফরাজী, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সাঈদ আল মামুন, রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল হাসান।
রূপগঞ্জ সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সালাউদ্দিন ভুইয়া, রূপগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক খলিল সিকদার, আশিকুর রহমান হান্নান, সাইফুল ইসলাম প্রমূখ।
জেলা প্রশাসক জসিম উদ্দিন বলেন, আজ জুন ১১ বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১২ টা থেকে সদর ইউনিয়নে লকডাউন কার্যকর হবে। লকডাউন কার্যকরে স্থানীয় চেয়ারম্যান, সাংবাদিক ও ইউপি সদস্যদের সহযোগীতা করার আহবান জানান। এ ছাড়াও স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতা করতে হবে। লকডাউন থাকাকালীন সময়ে স্থানীয় সেচ্ছাসেবকরা নিত্তপ্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী সাধারণ মানুষের ঘরে পৌছে দিবে।
এসময় পুলিশ সুপার জায়েদুল আলম বলেন, লকডাউন কঠোর করতে পুলিশ সদস্যরা মাঠে কাজ করবেন। সদর ইউনিয়নের শতভাগ লকডাউন করতে পুলিশ প্রস্তুত রয়েছে। ইউনিয়নের লোকজন প্রশাসনের লোকজনকে সহযোগিতা করবেন লকডাউনের নিয়মকানুন মেনে।
