নিজস্ব প্রতিবেদক
আমার ছেলে রাজন হোসেন খান রূপসী কাজীপাড়া এলাকায় একটি এনজিও সমবায় সমিতির প্রতিষ্ঠাতা এবং একজন সদস্য ছিল। কোথাও আড্ডা দিত না, সে সব সময়ই কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকতো। তবে রমজান মাস এলেই ইফতারের আগে বরগাঁও এলাকায় বন্ধু-বান্ধবের সাথে আড্ডা দিয়ে ইফতার করে নামায পড়ে বাড়ি চলে আসতো।
গত ১৩ মে প্রতিদিনের মতো বরগাঁও এলাকায় বন্ধু-বান্ধবদের সাথে আড্ডা দেয়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হয়েছিল। আমার রাজন আর বাড়ি ফিরে নি। এসব বলছিল আর কান্না করছিল যুবক সন্তান হারা পিতা তোফাজ্জল হোসেন। তিনি আজ (২২ জুন) সকালে ছেলে হত্যার বিচারের দাবিতে নারায়ণগঞ্জ জেলা জজ কোর্টের সামনে কান্না করছিলেন।
সোনারগাঁও উপজেলার আমগাঁও এলাকার তোফাজ্জল হোসেন বাড়িতে কথা হলে তিনি বলেন, আমার বাবায় আইব কইয়া ত আর আইল না। আমার বাবারে অনেক কষ্ট দিয়া মারছে। খুনিদের বিচার আমি দেইখা যাইতে পারলে শান্তি লাগত। আজ কতদিন হয়ে গেল এখনো কোনো বিচার হয়না কেন?
উলেখ্য, রাজনকে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা গুরুতর আহত অবস্থায় রূপসী কলাবাগান এলাকায় ফেলে রেখে গেছে। কাজ শেষে আমি খবর পেয়ে বাড়িতে এলে শুনতে পারি এসব কথা। গত ২৯ মে রাতে ঢাকা সরোয়ার্দী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় আমার ছেলে রাজন। এ ঘটনায় রূপগঞ্জ থানায় মামলা হয়েছে।
মাসুদ নামে একজন আসামী আটক করেছে পুলিশ। জানা গেছে, মাসুদকে দুই দিনের রিমান্ড শেষে আদালতে প্রেরণ করেছেন পুলিশ।
