মোঃ সাইফুল ইসলাম-
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে বেপরোয়া মোটরসাইকেল কেড়ে নিলো দুই যুবকের প্রাণ। নিহতরা হলেন- নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাও উপজেলার দামদরোদী গ্রামের নিরঞ্জন তালুকদারের ছেলে রনি তালুকদার (২৪) এবং বাঞ্ছারামপুর উপজেলার আইয়ুবপুর গ্রামের মৃত জিলানী মিয়ার ছেলে নূরে আলম (৩২)। এছাড়াও উপজেলার দশানি গ্রামের হোসেন মিয়ার ছেলে মোঃ ইমন (২১) এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়।
পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, উপজেলার আইয়ুবপুর গ্রামের মৃত জিলানী মিয়ার ছেলে নূরে আলম বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক ১ ঘটিকায় বেপরোয়াভাবে মটরসাইকেল চালিয়ে যাওয়ার সময় জগন্নাথপুর গ্রামের পৌর আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি বাবুল চন্দ্র দাস ওরফে বাবলা দাসের বাড়ির সামনের সড়কে মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ছিটকে পড়ে যায়।
বেপরোয়া গাড়িটি রাস্তার পাশে দাড়িয়ে থাকা সোনারগাঁওয়ের রনি তালুকদার এবং মোঃ ইমনকে চাপা দেয়। এসময় স্থানীয়রা তাদেরকে গুরুতর আহত অবস্থায় বাঞ্ছারামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মোটরসাইকেল আরোহী নূরে আলমকে মৃত ঘোষণা করে এবং আহত পথচারী রনি তালুকদার ও মোঃ ইমনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করলে পথেই রনি তালুকদার মারা যায়।
বাঞ্ছারামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ রঞ্জণ বর্মন বলেন, মোটরসাইকেল এক্সিডেন্ট করে তিনজন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে আসলে নূরে আলমকে মৃত ঘোষণা করা হয়। রনি তালুকদার এবং মোঃ ইমনকে উন্নত চিকিৎসার জন্যে ঢাকা মেডিকেলে প্রেরণ করা হলে রাস্তায় রনি তালুকদার মারা যায়।
বাঞ্ছারামপুর মডেল থানা ওসি মোঃ নূরে আলম জানান, দশদোনা গ্রামের একটি বিয়ের অনুষ্ঠান থেকে বাড়ি ফেরার পথে মোটরসাইকেল চালক নূরে আলম নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুই পথচারীকে চাপা দেয়। এতে নূরে আলম মারা যায়। অন্য দুইজনকে ঢাকা নেওয়ার পথে গুরুতর আহত রনি তালুকদার মারা যায়। কোন অভিযোগ না থাকায় আজ সকালে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

