এখন আমাদের একজন পুলিশ কনস্টেবলও জানেন কীভাবে প্যানডেমিক পুলিশিং করতে হয়—- আইজিপি ড. বেনজীর আহমেদ
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
‘পুলিশ সদস্যদের আবাসিক সংকট নিরসনের লক্ষ্যে আমরা স্বল্পমেয়াদে অস্থায়ী ভিত্তিতে ব্যারাক ভবন নির্মাণ করেছি। ডেমরায় করা হয়েছে, উত্তরায় আজ করা হলো। পূর্বাচলেও আমরা ব্যারাক ভবন নির্মাণ করব। দীর্ঘমেয়াদে আমরা বহুতল ভবন নির্মাণের দিকে যাব। পুলিশ ফোর্সের বসবাসের ঘনত্ব কমিয়ে তাদের জন্য স্বস্তিদায়ক আবাসনের ব্যবস্থা করতে চাই আমরা। মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশ, র্যাবসহ সরকারের বিভিন্ন সংস্থা জোরালো অভিযান পরিচালনা করছে।
‘করোনা সংক্রমণ কিভাবে শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনা যায় সে লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি। জাতীয়ভাবেও এ হার শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনার জন্য সবাইকে ন্যূনতম স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে অনুরোধ জানাই। আমরা সবাই মিলে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করলে এ দুর্যোগ মোকাবেলা করতে পারবো। মাদকের সঙ্গে যেই জড়িত থাকুক তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মাদক ব্যবসায়ীর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।
আজ শনিবার (২৭ জুন) পুরে উত্তরার দিয়াবাড়িতে ডিএমপির আঞ্চলিক পুলিশ লাইনসে ২০০ শয্যাবিশিষ্ট ফোর্সের ব্যারাক উদ্বোধন শেষে আইজিপি এসব কথা বলেন।
মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করে পুলিশ প্রধান বলেন, মাদক সেবন-বিক্রি সে যেই থাকুক তাকে ছাড় দেওয়া হবে না। সমাজ থেকে মাদক নির্মূল করা হবেই। দাবি করে আইজিপি বলেন, অনেকেই মাদক ব্যবসা ছেড়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে এসেছে। মাদক স্পট পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। এছাড়া এর সঙ্গে জড়িতদের বিষয়ে নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।
দুপুরে রাজধানীর উত্তরার দিয়াবাড়িতে প্রধান অতিথি হিসেবে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের উত্তরা আঞ্চলিক পুলিশ লাইন্সের নবনির্মিত ব্যারাক ভবন উদ্বোধন শেষে আরও বলেন, মাদক সমাজের মেধা নষ্ট করে। যুবক-যুবতীরা ধ্বংস হচ্ছে। অথচ তারাই আগামীতে রাষ্ট্রের নেতৃত্ব দেবে। তারা যদি শেষ হয়ে যায় তাহলে রাষ্ট্রের হাল কারা ধরবে?। এ কারণে মাদক বিরোধী কর্মকাণ্ডে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।
আইজিপি করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণকারী ফ্রন্টলাইনার চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী, সাংবাদিক, পুলিশসহ সবার আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানান। এ সময় ডিএমপি কমিশনার শফিকুল ইসলামসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
